প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬ , ০৭:০৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ইসলামী সংগীত শিল্পী, কবি, লেখক, সাহিত্যিক এবং মুনা মিডিয়া কর্মীদের অংশগ্রহণে এক আন্তরিক ‘পরিচিতি ও প্রীতিভোজ’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) নিউইয়র্কের মুনা সেন্টার অব জ্যাকসন হাইটসে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সুস্থ সংস্কৃতি বিকাশ, ইসলামী দাওয়াহ এবং সৃজনশীল সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসারে নবগঠিত হাডসন কালচার গ্রুপ–এর লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মমিনুল ইসলাম মজুমদার এবং সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন আবুল হাশেম।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় আতিকুল ইসলাম আতিক-এর পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে। এরপর উপস্থিত অতিথিদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
স্বাগত বক্তব্যে মমিনুল ইসলাম মজুমদার, প্রেসিডেন্ট, মুনা নর্থ জোন, বলেন— হাডসন কালচার গ্রুপ সুস্থ সংস্কৃতি ও ইতিবাচক বিনোদনের মাধ্যমে সমাজে অপসংস্কৃতির আগ্রাসন মোকাবিলায় কাজ করবে। একই সঙ্গে এই প্ল্যাটফর্মকে ইসলামের দাওয়াহ সম্প্রসারণের একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রবীণ সাংবাদিক, লেখক ও সাহিত্যিক জনাব সামসুল কাজী। তিনি হাডসন কালচার গ্রুপের উদ্দেশ্য, কর্মপরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তুলে ধরে সংগঠনটির সফল বাস্তবায়নে সকলের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
আরো বক্তব্য রাখেন এলমহার্স্ট চ্যাপ্টারের সভাপতি জনাব নাসির উদ্দিন আহমেদ তাঁর বক্তব্যে বর্তমান সময়ে অপসংস্কৃতির নেতিবাচক প্রভাব এবং তা প্রতিরোধে পরিবার, সমাজ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক আন্দোলনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন প্রখ্যাত ইসলামী সংগীত শিল্পী জীবন চৌধুরী। তিনি মরহুম মতিউর রহমান মল্লিক রচিত জনপ্রিয় ইসলামী সংগীত “টিক টিক যে ঘড়ির কাঁটা” পরিবেশন করে উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করেন। পাশাপাশি ইসলামী সংগীতে আগ্রহী নবীন শিল্পীদের জন্য একটি সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালাও পরিচালনা করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ফখরুল ইসলাম, সভাপতি, মুনা জ্যাকসন হাইটস চ্যাপ্টার; মাওলানা ওলিউর রহমান সিরাজী, ইমাম ও খতিব, মুনা সেন্টার অব জ্যাকসন হাইটস; এবং নবগঠিত হাডসন কালচার গ্রুপ-এর বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল, ইসলামী সংগীত শিল্পী, সাহিত্যিক, লেখক, সাংবাদিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ববৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, পরিচিতি বিনিময় এবং ইসলামী সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রত্যয়ে এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।