এখন সময় ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৮ সেপ্টেম্বার ২০২৬ , ০৫:০৬ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

অস্টিওআর্থ্রাইটিস কেন হয়, লক্ষণ ও চিকিৎসা

অস্টিওআর্থ্রাইটিস এমন একটি দীর্ঘমেয়াদি জয়েন্টের রোগ, যাতে ধীরে ধীরে তরুণাস্থি ক্ষয় হতে থাকে। এর ফলে আক্রান্ত জয়েন্টে ব্যথা, শক্তভাব, ফোলাভাব এবং নড়াচড়ায় সীমাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে। এটি আর্থ্রাইটিসের সবচেয়ে সাধারণ ধরন এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে এর ঝুঁকিও বাড়ে। তবে তরুণদেরও এ রোগ হতে পারে।

সাধারণত হাঁটু, নিতম্ব, মেরুদণ্ড ও হাতের জয়েন্ট অস্টিওআর্থ্রাইটিসে বেশি আক্রান্ত হয়। অতিরিক্ত ওজন এ রোগের অন্যতম ঝুঁকি। শরীরের বাড়তি ওজন জয়েন্টের ওপর চাপ বাড়িয়ে বিশেষ করে হাঁটুর ক্ষয় ত্বরান্বিত করতে পারে। খেলাধুলা বা দুর্ঘটনায় লিগামেন্ট, বিশেষ করে এসিএল, ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পরবর্তী সময়ে অস্টিওআর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি বাড়ে। জয়েন্টে ফ্র্যাকচার বা ডিসলোকেশন, বংশগত প্রবণতা এবং রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস বা গাউটের মতো রোগও ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ রোগের লক্ষণ সাধারণত ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়। আক্রান্ত জয়েন্টে ব্যথা ও শক্তভাব, ফোলাভাব, নড়াচড়ার সময় ঘর্ষণের অনুভূতি বা শব্দ, নমনীয়তা কমে যাওয়া এবং কখনো জয়েন্টের আকৃতিতে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

জয়েন্টে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, ফোলাভাব, লকিং, অস্বাভাবিক শব্দ বা বিকৃতি দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

অস্টিওআর্থ্রাইটিস পুরোপুরি সারানোর নির্দিষ্ট চিকিৎসা না থাকলেও উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ এবং দৈনন্দিন চলাফেরার সক্ষমতা বজায় রাখা সম্ভব। রোগীর অবস্থা অনুযায়ী ফিজিওথেরাপি, স্ট্রেচিং ও পেশি শক্তিশালী করার ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যথা নিয়ন্ত্রণের চিকিৎসা দেওয়া হয়। কোন পদ্ধতি উপযোগী হবে, তা নির্ধারণে বয়স, আক্রান্ত জয়েন্ট, ব্যথার মাত্রা ও শারীরিক সক্ষমতা বিবেচনা করা জরুরি।