এখন সময় ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১ আগষ্ট ২০২৬ , ১২:২৭ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

স্পাইডার-ম্যানে ভিলেন হয়ে আলোচনার কেন্দ্রে স্যাডি সিঙ্ক

মঞ্চনাটক থেকে অভিনয়জীবনের শুরু। এরপর নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় সায়েন্স ফিকশন সিরিজ স্ট্রেঞ্জার থিংস তাঁকে এনে দেয় বিশ্বজুড়ে পরিচিতি। আর এবার মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সে (এমসিইউ) অভিষেকের মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ারে নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছেছেন তরুণ হলিউড অভিনেত্রী স্যাডি সিঙ্ক।

সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে। দীর্ঘদিন গোপন রাখা হয়েছিল স্যাডি সিঙ্কের চরিত্রের পরিচয়। সিনেমা মুক্তির পর সেই রহস্যের অবসান ঘটে। তিনি পর্দায় হাজির হয়েছেন মার্ভেল কমিকসের অন্যতম শক্তিশালী ও জটিল চরিত্র জিন গ্রে হিসেবে। তবে এই সিনেমায় তাঁকে ভিলেনের ভূমিকাতেই দেখা গেছে, যা স্পাইডার-ম্যান সিরিজে চরিত্রটির প্রথম উপস্থিতি।

গল্পে নিউইয়র্কজুড়ে এক রহস্যময় শক্তির আবির্ভাব ঘটে, যে মানুষের মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করার অসাধারণ ক্ষমতা রাখে। সেই শক্তিধর চরিত্রই জিন গ্রে। ডিপার্টমেন্ট অব ড্যামেজ কন্ট্রোলের একটি গোপন ভল্টে লুকিয়ে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সত্য উদ্ঘাটনই তার মূল লক্ষ্য। প্রথমে স্করপিয়নকে ব্যবহার করে পরিকল্পনায় ব্যর্থ হলেও পরে ব্রুস ব্যানারের মন নিয়ন্ত্রণ করে তাকে হাল্কে পরিণত করে ভয়াবহ হামলা চালায় সে।

জিন গ্রের সাইকিক ক্ষমতা ও মানসিক শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে একের পর এক কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হয় স্পাইডার-ম্যান। পুরো সিনেমাজুড়েই টম হল্যান্ডের পাশাপাশি স্যাডি সিঙ্কের উপস্থিতি দর্শকের দৃষ্টি কাড়ে। সমালোচকদের মতে, চরিত্রটির গভীরতা ও অভিনয়ের দক্ষতা ভবিষ্যতে মার্ভেল ইউনিভার্সে স্যাডি সিঙ্ককে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে।

মার্ভেলে যুক্ত হওয়াকে নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন স্যাডি সিঙ্ক। তাঁর ভাষায়, ‘স্পাইডার-ম্যান সব সময়ই আমার প্রিয় সুপারহিরো। বিশেষ করে টম হল্যান্ডের অভিনয় আমার খুব ভালো লাগে। যে গল্পের ভক্ত ছিলাম, একসময় সেই গল্পেরই অংশ হয়ে ওঠা দারুণ অনুভূতি। স্ট্রেঞ্জার থিংস-এর সময়ও এমন অভিজ্ঞতা হয়েছিল। ১৪ বছর বয়সে পরিচালক ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রেটনের সঙ্গে কাজ করেছিলাম। এত বছর পর তাঁর পরিচালনায় স্পাইডার-ম্যানে অভিনয় করতে পারা যেন একটি পূর্ণ বৃত্তের মতো।’