সামনের নির্বাচনেও বিএনপি-জামাত জিতলে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকেরা বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হবে : নিউইয়র্কে কামাল লোহানী

সামনের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনেও বিএনপি-জামাত জিতলে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে আরো করুণ পরিস্থিতি দেখতে হবে বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন শিল্পকলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক কামাল লোহানী। তিনি আরো বলেন, আজ যে সব ঘাতকের বিচার এবং রায় কার্যকর করার অপেক্ষায় রয়েছি, একদিন তারাই হয়তো পাল্টা বিচার করবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের।

গত ১৬ জুন ‘ইউএস কমিটি ফর সেক্যুলার ডেমক্র্যাটিক বাংলাদেশ’ আয়েজিত  এক সমাবেশে উপরোক্ত আশংকা প্রকাশ করা হয়।অনুষ্ঠানে

আরো বক্তৃতা করেন, নাট্য ব্যক্তিত্ব জামালউদ্দিন হোসেন, সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম, শিতাংশু গুহ, চারণকবি বেলাল বেগ,  এন আমিন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের আব্দুস সামাদ আজাদ এবং যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক মহিউদ্দিন দেওয়ান।

এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের আহবায়ক ও নিউজার্সীর সিটি কাউন্সিলম্যান (ডেমক্র্যাট) ড. নূরন্নবী এবং সঞ্চালন করেন হোস্ট সংগঠনের সদস্য সচিব জাকারিয়া চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে ভারতীয় ইমিগ্র্যান্ট শাহাদৎ হোসেন বলেন, ‘ইসলামিক সার্কেল অব নর্থ আমেরিকা’(ইকনা) এর একজন ভক্ত ছিলাম আমি। কিন্তু অতি সম্প্রতি এই সংগঠনের লোকজনকে দেখেছি জাতিসংঘের সামনে এবং টাইমস স্কোয়ারে সমাবেশ করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধীদের মুক্তির দাবি জানাতে।  ‘এরপর থেকে আমি ইকনার সম্পর্কচ্ছেদ করেছি এবং পরিচিত আমেরিকানদের কাছে ওদের স্বরূপ অবহিত করছি।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামাল লোহানী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং একাত্তরের মতই স্লোগানে সোচ্চার হতে হবে ‘ওরা মানুষ হত্যা করছে, আসুন আমরা পশু হত্যা করি।’দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষদের ধর্মীয় অনুভূতি পুঁজি করে ওরা বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করতে মিথ্যাচারে লিপ্ত রয়েছে। বিএনপি এবং জামাতীদের মধ্যে একবার বিরহ, আবার মিলন ঘটে বলে মন্তব্য করেন কামাল লোহানী। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ‘ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির বিজয় না হলে বাংলাদেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের নাম-নিশানা মুছে ফেলা হবে, মুক্তিযোদ্ধারা আর দেশে থাকতে পারবে না।’ সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ৪ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনী ফলাফলের প্রতি ইঙ্গিত করে বক্তারা বলেন, ‘ঐ নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে যে কোন ত্যাগের বিনিময়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতেই হবে।’

সমাবেশে গণজাগরণমঞ্চের কবিতা আবৃত্তি করেন জিএইচ আরজু, মুমু আনসারী এবং শিবলী সাদেক শিবলু। প্রবাসে রাজাকার বিরোধী যে কোন তৎপরতা রুখে দেয়ার সংকল্পে সকলকে ইস্পাত দৃঢ় ঐক্য গড়ার আহবান জানিয়ে আরো বক্তৃতা করেন নিনি ওয়াহেদ, ফাহিম রেজা নূর, শাহীন ইবনে দিলওয়ার, মাসুদ হুসেন সিরাজী, স্বীকৃতি বড়ুয়া, সুব্রত তালুকদার, আলী হুসেন গজনবী, শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপিকা হুসনে আরা বেগম, নুরুজ্জামান সর্দার, আব্দুর রহমান মামুন, অধ্যাপক সব্যসাচি দস্তিদার, শাহীন আজমল।

 

ফার্মাসিস্ট মোজাম্মেল হোসেন খানের ইন্তেকাল

ইউএনএ : টাঙ্গাইল জেলার সন্তান, নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডে বসবাসরত বিশিষ্ট ফার্মাসিস্ট মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন খান (৬৩) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি......রাজেউন)। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন অচেতন থাকার পর গত ১০ এপ্রিল মধ্য রাত ১২টার দিকে স্থানীয় ফোর্ড জেফরসন নার্সিং হোমে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, একমাত্র পুত্র ডা. ববি খান এবং এক ভাই ও বোনসহ বহু আত্বীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমের একমাত্র ছোট ভাই মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন খান স্বপরিবারে জ্যামাইকায় এবং একমাত্র বোন টাঙ্গাইল শহরে বসবাস করেন। উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালে মোজাম্মেল হোসেন খান নিউইয়র্ক আগমন করেন।
মরহুম মোজাম্মেল হোসেন খানের নামাজে জানাজা গত ১১ এপ্রিল বৃহস্প্রতিবার বাদ জোহর জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। মসজিদের খতিব মাওলানা আবু জাফর বেগ এই নামাজে ইমামতি করেন। জানাজায় প্রবাসের বিপুল সংখ্যক ডাক্তার, ফার্মাসিস্টসহ সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশীরা অংশ নেন। জানাজা নামাজ শেষে অপরাহ্নে লং আইল্যান্ড মেমোরিয়াল কবরাস্থানে মরহুম মোজাম্মেল হোসেন খানের মরদেহ দাফন করা হয়।
শোক প্রকাশ: ফামার্সিস্ট মোজাম্মেল হোসেন খানের ইন্তেকালে সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ খান, বার্ত সংস্থা ইউএনএ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং টাঙ্গাইল জেলা সমিতি ইউএসএ’র সভাপতি হারুন-অর রশীদ বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান আমিনুর রহমান গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে এক্সিম ব্যাংক অবদান রাখছে : ড. হায়দর আলী

এক্সিম ব্যাংক বাংক বাংলাদেশ’র এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ড. মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি সাধনে এক্সিম ব্যাংক প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে অবদান রেখে যাচ্ছে এবং নতুন নতুন প্রকল্পে বিনিয়োগ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। তিনি বলেন, এক্সিম ব্যাংক বিশ্বমানের একটি পূণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংক,যেখানে গ্রাহকরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আর্থিক সেবা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে।

গত ৭ জুন শুক্রবার সন্ধ্যায় উডসাইডের গুলশান ট্যারেসে এক্সিম ব্যাংক বাংলাদেশ এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান এক্সিম ইউএসএ’র উদ্যোগে আয়োজিত ‘গেট টুগেদার অফ বিজনেস পার্টনার্স’ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল মো: মনিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এক্সিম ইউএসএ’র সিইও শেখ বশিরুল ইসলাম। মঞ্চে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এক্সিম ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর খন্দকার এহসানুল হক রুমী, এনআরবি স্পন্সর ডাইরেক্টর রেজাউল করিম চৌধুরী, সন্দ্বীপের বিশিষ্ট দানবীর নূরুল মোস্তফা, বিশিষ্ট শিল্পপতি ক্যাবকো ফার্মাসিটিক্যাল এর চেয়ারম্যান আবু এম কবির, কাউন্সিলম্যান ড্যানিয়েল ড্রম। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও মোনাজাত পরিচালনা করেন হাজী ক্যাম্প মসজিদের ইমাম হাফিজ মাওলানা রফিকুল ইসলাম। অতিথিদের ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এক্সিম ইউএসএ’র কাষ্টমার সার্ভিস অফিসার কাজল আহমেদ ও রবিউল হাসান, মো: ইকবাল হোসেন ভূইয়াঁ। কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশনের  সভাপতি মোহাম্মদ পিয়ার, বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা মুকিত চৌধুরী, মুলধারার নেতা গিয়াস আহমেদ, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি জন এন উদ্দিন, মাদারীপুর সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন হাওলাদার। প্রতিকূল আবহাওয়া সত্বেও অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী উদ্যোক্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তির সমাবেশ ঘটে।

ড. হায়দার আলী মিয়া বলেন এক্সিম ব্যাংক ১৯৯৯ সালে একটি সূদী ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও গ্রাহকদের আগ্রহ ও চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৪ সালে শরীয়াহসম্মতভাবে পরিচালনার জন্য ইসলামী ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়, যা একটি বিরল দৃষ্টান্ত। আধুনিক ইসলামী ব্যাংকিং এর পথিকৃৎ এক্সিম ব্যাংক। তিনি বলেন, বর্তমান দেশে এক্সিম ব্যাংকের ৭৩টি শাখা এবং দেশের বাইরে ৪টি এক্সচেঞ্জ হাউসের মাধ্যমে দেশ-বিদেশে ২৪ ঘণ্টা গ্রাহকদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এজন্য আধুনিক ব্যাংকিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে উত্তম সেবা নিশ্চিত করার জন্য ব্যাংকের ২ হাজার ২শ’ জনশক্তি কাজ করছেন। চলতি বছর আরো ৮টি শাখা উদ্বোধন করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিকাশে এক্সিম ব্যাংকের সূর্য কখনো অস্তমিত হবে না। দেশ ও জাতির অর্থনৈতিক কল্যাণে নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নিয়ে আধুনিক ইসলামী ব্যাংকিং এর ধারায় অব্যাহতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও পরিচালনা পর্ষদের সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত  গ্রাহক-পৃষ্ঠপোষকদের সহযোগিতার বিষয়েও বর্ণনা করেন। এক্সিম ব্যাংক স্বল্প সময়ে একটি দক্ষ, আধুনিক এবং  ইসলামী ব্যাংক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের বেসরকারী খাতের ব্যাংকগুলোর মধ্যে এক্সিম ব্যাংকই প্রথম যুক্তরাজ্য, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ায় এক্সচেঞ্জ হাউস স্থাপন করে বৈধ উপায়ে প্রবাসী বাংলাদেশীদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে প্রেরণ করে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্ফীত করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব অবদান রাখছে। তিনি বলেন, নিউইয়র্কে আমাদের এক্সচেঞ্জ হাউস স্থাপন করা হয়েছে নিউইয়র্কে অন্যতম প্রধান বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকা জ্যাকসন ্হাইটসে। এর দায়িত্বে রয়েছেন দক্ষ ব্যাংকার শেখ বশিরুল ইসলাম। তিনি জানান যে, শিগগিরই গ্রাহকদের সুবির্ধাথে এক্সিম ইউএসএ ব্রুকলীনের চার্চ-ম্যাকডোনাল্ডে আরেকটি শাখা চালু করা হবে। তিনি আরো বলেন, ২০১২ সালে এক্সিম ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলাদেশে ১৬১ কোটি টাকা রেমিট্যান্স প্রেরিত হয়েছে। দেশে ৭৩টি শাখা এবং সব ব্যাংকের সাথে লেনদেন সংম্পৃক্ত ৪ হাজার ৫০০টি এটিএম বুথ থেকে এক্স্রিমের গ্রাহকরা টাকা উত্তোলন করতে পারেন। ২০১২ সালে আমরা ২৮ হাজার কোটি টাকার আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে অবদান রেখেছি এবং চলতি বছর এ খাতে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ৩২ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইউরোপ-আমেরিকাসহ ১৫০টি দেশের সঙ্গে এক্সিম ব্যাংকের গতিশীল লেনদেন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

-সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভিক্ষোভ ও মানব বন্ধন

বাংলাদেশে চলমান শাহবাগ আন্দোলনের প্রতি একাত্মতা জ্ঞাপন করে মানববন্ধন করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সকল স্তরের নেতা কর্মীরা।

গত সেপ্টেম্বর মাসে  অনুষ্ঠিত সাধারন সম্মেলনে কোন নতুন কমিটি গঠিত না হওয়ায় মানব বন্ধন আহ্বান করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী সাবেক ছাত্রনেতা জনাব হিন্দাল কাদির বাপ্পা। মানব বন্দন অনুষ্ঠানে সকল স্তুরের স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কর্মীসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হয়ে বাংলাদেশে চলমান যুদ্ধ অপরাধী, রাজাকার, আলবদর, আল- সামস ও জামাত শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবীতে মানববন্দন ও ভিক্ষোভ মিছিল করেন। নিউইয়র্কের বাঙালীদের প্রাণকেন্দ্র জ্যাকসন হাইটসের ৭৩ স্ট্রিট এর উপরে সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে প্রচন্ড শীতেরমধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণে মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত মানব বন্দন ও বিক্ষোভে মিছিলে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী জনাব হিন্দাল কাদির বাপ্পা, সাংবাদিক ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা জনাব হাকিকুল ইসলাম খোকন, শেখ হাসিনা মঞ্চের মো: কায়কোবাদ, সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতা জনাব হেলাল মাহমুদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, আব্দুল মালেক, সাবেক সদস্য সচিব শেখ আতিকুল ইসলাম, যুগ্ম সদস্য সচিব মো: সাখাওয়াত বিশ্বাস, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা ও যুক্তরাষ্ট্র স্বেচছাসেবক লীগ নেতা সুবল দেবনাথ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মোতাহার হোসেন, নাফিকুর রহমান তুরান, মাহমুদুল হাসান মুরাদ, গিয়াস উদ্দিন নান্নু, ফারুক আহম্মেদ মিয়াজী, মঞ্জুর চৌধুরী, আতাউর রহমান তালুকদার, সেলিম চৌধুরী, আলমগীর হোসেন, মো: ওয়াহিদুজ্জামান লিটন, রাসেল কবির, সজল রহমান, রুপন দেবনাথ, মো: হাসান, সিদ্দিকুর রহমান, মো: হাসান জিলানী, যুবলীগের প্রচার সম্পাদক গনেশ কির্তনীয়া, ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো: ফিরোজ চৌধুরী,  ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক সৈয়দ সাজ্জাদ রায়হান সহ ছাত্রলীগের মোঃ আলামিন, হাসিব রহমান, জসিম উদ্দিন ভূইয়া, মো: মমিন রহমান, রায়হান জমাদ্দার, আসিক রহমান, কাজী মুর্শেদ ও লিয়াকত হোসেন।

ইয়ুথ কংগ্রেস অব বাংলাদেশী আমেরিকানের সভাপতি মো: রসেল কবির ও সাধারন সম্পাদক ওমর ফারুক রিপনসহ অনেকে।

-সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

পেটারসনে বাংলাদেশীদের ওপেন এয়ারকনসার্ট ও মেলা অনুষ্ঠিত

নিউজার্সির পেটারসনে ওপেন এয়ারকনসার্ট ও জমজমাট  মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে সম্প্রতি । মেলার উদ্বোধন করেন মেলার আয়োজক পেটারসনের ওয়েস্ট সাইড বয়েস এর কর্মকর্তারা। এ সময় নিউজার্সির প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিউটিতে সমাজ সেবা, রাজনীতি, সাংবাদিকতা, শিক্ষ্যকতা , সামাযিক ও সাংস্কৃতিক কর্ম কান্ডে  নিঃসার্থ ভাবে সেবা প্রদানের জন্য পেটারসনের সিটি কাউন্সিলম্যান মোঃ আক্তারুজ্জামান, প্রবীন  প্রবাসী আনসার আহমেদ, সাংবাদিক বিশ্বজিৎ দে বাবলু, সমাজ সেবক ফারুক সিদ্দীকি, পেটারসন পাবলিক স্কুলের শিক্ষ্যক ফরিদ উদ্দিন ও গিলমান চৌধুরী, এবং সামাযিক ও সাংস্কৃতিক কর্ম কান্ডের  জন্য এই ওপেন এয়ারকনসার্ট  এর দুই উপস্তাপক এ জি এম আবু ও মোক্তা আবেদিনকে বিশেষ সন্মাননা প্রদান করেন পেটারসনের ওয়েস্ট সাইড বয়েস এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খাইরুজ্জামান চৌধুরী ও সাঃ সম্পাদক শাহীন খালিক ।রাত ১০টা পর্যন্ত চলা এই মেলায় প্রায় শতাধিক স্টল বসেছিল হাজার বছরের ঐতিহ্যসমৃদ্ধ বাঙালী পণ্যের । নতুন প্রজন্মের উপস্থিতি এ মেলারআয়োজনকে অনেকাংশে স্বার্থক করেছে বলে মেলায় আসা প্রবাসীরা মন্তব্য করেছেন।।পথমেলার স্টল মালিকরা জানিয়েছেন তাদের বেছা কেনা ভাল হয়েছে । তবে ক্রেতারা অভিযোগ করে বলেন এখানে জিনিসপত্রের দাম বাজার মুল্য থেকে অনেক বেশি । নতুন প্রজন্মের উপস্থিতি এ মেলার আয়োজনকে অনেকাংশে স্বার্থক করেছে  বলে মেলায় আসা প্রবাসীরা মন্তব্য করেছেন।

সাংস্কৃতিক পর্বে সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশ থেকেঁ আগত  শিল্পী আরফিন রুমি ও ক্লোজআপ ওয়ানের তারকা শিল্পী নওরীন সহ স্থানীয় শিল্পীরা ।

এই মেলার  ইভেন্ট ডাইরেক্টর ছিলেন আবুল কালাম, ব্যবস্থাপনায় জুয়েল খালিক, কোঅরডিনেটর সারন জয়েদ, পাশাপাশি এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন মিনাজ উদ্দিন, ফরন মিয়া, মুনিম খালিক, রাসেল আহমেদ, সুহেল আহমেদ, মাসুক মিয়া, আলি হোসেন ও শামীম জায়েদ ।

কানাডায় শহীদ জিয়ার জন্মবার্ষিকী পালন

কানাডা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে ২০ জানুয়ারি টরন্টোস্থ ২৯৭৮ ড্যানফোর্থ এভিনিউতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কানাডা বিএনপির সভাপতি এস.আর চৌধুরী রেশাদ। অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জিয়া পরিষদ অন্টারিও শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক কে. এম এয়াকুব নবীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুজ্জামান মুকুল। কানাডা বিএনপি উপদেষ্টা ও সপ্তাহিক ভোরের আলোর সম্পাদক আহাদ খন্দকার। অনুষ্ঠান চলাকালীন এক পর্যায়ে টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক। তিনি বলেন, প্রবাসীরা নি:স্বার্থভাবে দেশের জন্য কাজ করেন। কানাডা বিএনপির নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে ড. ওসমান ফারুক বলেন,  এটি অনেক খুশির বিষয় যে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের পতাকাতলে কানাডা বিএনপির নেতাকর্র্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যথেষ্ট ভূমিকা রাখছেন। তিনি আরও বলেন, যে কোন মূল্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে হবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্য নেতাকর্মীকে হয়রানিমূলক জেল খাটানো এবং আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা কওে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকার টিকে থাকতে পারবে না। তিনি আরও বলেন, শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারি, দৃব্যমূল্যের অসহনীয় মূল্যবৃদ্ধি, পদ্মা সেতু, ডেসটিনি, হলমার্ক গ্রæপ, ছাত্রলীগের হত্যাযজ্ঞ ও টেন্ডারবাজি প্রভৃতি কারণে দেশ আজ দেউলিয়া হয়ে গেছে। কানাডা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের কার্যক্রম জানতে পেরে তিনি সকল নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন টরন্টো সিটি বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম পাটোয়ারী, অন্টারিও বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন খান ও সাধারণ সম্পাদক এজাজ আহমেদ খান, জিয়া নাগরিক ফোরামের সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল হক ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গনি, কানাডা যুবদলের সভাপতি আলহাজ মাশরুল হোসেন রিপন ও সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আলী শাওন, টরোন্টো সিটি বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু জাহেদ আলম, কানাডা বিএনপি নেতা প্রকৌশলী মফিজুর রহমান, আব্দুল মান্নান, নাজমুল হক প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে দ্বিতীয় পর্বে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন জিয়া পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক কে. এম এয়াকুব নবীন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কানাডা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবর রহমান।–সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

নিউইয়র্ক সিটির সর্ববৃহত ইসলামিক সেন্টার নির্মানের উদ্যোগ নিয়েছে ‘আল আরাফা’

মোহাম্মদ তুহিন : নিউইয়র্ক সিটির জামাইকায় একটি সুবৃহৎ মসজিদ এবং ইসলামিক সেন্টার নির্মাণের লক্ষ্যে গত ২ জুন রবিবার অনুষ্ঠিত হল ফান্ড রেইজিং ডিনার। জ্যামাইকাতে অবস্থিত মসজিদ আল আরাফা’র বর্তমান অস্থায়ী ঠিকানায় অনুষ্ঠিত এই তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠানে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে মুসুল্লীদের উপস্থিতি উল্লেখ্যযোগ্য না হলেও সন্তোষজনক তহবিল সংগৃহিত হয়। মসজিদ কমিটির লক্ষ্যমাত্রা ছিল একশত পঞ্চাশ হাজার ডলার। তন্মধ্যে নগদ এবং চেকের মাধ্যমে সংগৃহিত হয় প্রায় পঁয়ত্রিশ হাজার ডলার। এছাড়াও সত্তর হাজার ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। তবে সবচেয়ে বড় আকারের একক প্রতিশ্রুতি এসেছে একজন ফার্মাসিস্ট থেকে, যার পরিমাণ ত্রিশ হাজার ডলার।

মসজিদ কমিটির প্রেসিডেন্ট শফিকুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই ফান্ড রেইজিং ডিনারে প্রধান বক্তা ছিলেন নিউজর্সী থেকে আগত শেখ আলা এল সাদাউই এবং মাওলানা মোহাম্মদ এ. মুকিত। এছাড়াও প্রধান এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন যথাক্রমে ইমাম ড. শামসি আলী এবং লুৎফুল হক চৌধুরী। অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মসজিদ কমিটির সেক্রেটারী তরিকুল ইসলাম, ড. বিল্লাহ্, হাফিজ রফিক, এ্যাসাল ক্ইুন্স চ্যাপ্টার এর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ তুহিনসহ আরও অনেকে।

উল্লেখ্য, গত ২০০৬ সালে মাত্র দশ জন মুসুল্লীর উদ্যোগে জ্যামাইকার ১৭৯ ষ্ট্রিট সাবওয়ের সন্নিকটে অবস্থিত একটি দোকানের বেসমেন্টে কয়েকশ’ ডলার তহবিল নিয়ে মসজিদ আল আরাফা’র যাত্রা শুরু। তারপর ১৮১ ষ্ট্রিট হিলসাইড এভিনিউতে অবস্থিত বারবিকিউ ভিলেজ রেষ্টুরেন্টের মালিক তাদের বেসমেন্টে মসজিদের জন্য জায়গা করে দেন। মুসুল্লীদের সংখ্যা বাড়তে থাকলে পাশাপাশি অবস্থিত হিলমার্ট ষ্টোরের বিশালাকার বেসমেন্টে মসজিদের পরিধি বাড়ানো হয়। এখন পর্যন্ত সেখানেই মসজিদটির কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বর্তমানে একসাথে প্রায় ৫০০ মুসুল্লী নামাজ আদায় করতে পারেন। উক্ত এলাকায় মুসুল্লীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে মসজিদের জন্য একটি বিশালাকার স্থায়ী ভবন নির্মাণের জন্য ভূমি কেনার উদ্যোগ নেয়া হয়। চলতি বছরে ১৭৯ ষ্ট্রীটে পি এস ৯৫ এর উল্টোদিকে অবস্থিত পাশাপাশি ৬০/১১০ লটসাইজের দুটি জমি প্রায় ৫০০ হাজার ডলার নগদ দিয়ে কিনতে মসজিদ কর্তৃপক্ষ সমর্থ হন। সংলগ্ন আরেকটি ২০/১১০ লট সাইজের জমি বর্তমানে মসজিদের জন্য ক্রয়ের প্রক্রিয়াধীন আছে। মসজিদ কমিটি জানিয়েছে, এই জমিটি ক্রয় করতে সমর্থ হলে তারা এখানে নিউইয়র্ক সিটির সবচেয়ে বড় আকারের মসজিদ এবং ইসলামিক সেন্টার তৈরি করতে সক্ষম হবে। যাতে থাকবে নামাজ আদায় করার জন্য সুবিশাল দুটি কক্ষ, কয়েকটি ক্লাশরুম, বয়োজেষ্ঠ্যোদের সময় কাটানোর জন্য আলাদা কক্ষ, ইসলামিক লাইব্রেরী সহ আরও অনেক কিছু।

মসজিদের জন্য উল্লেখিত জমিটি ক্রয়ে আরও প্রায় ষাট হাজার ডলারের ঘাটতি রয়েছে। মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি জনাব তরিকুল ইসলাম কমিউনিটির সকল ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিদের নিকট সহায়তার আহবান জানিয়েছেন।

বায়তুল মামুর মসজিদে হিফজুল কোরআন গ্রাজুয়েশন অনুষ্ঠিত

নাঈম উদ্দিন : সম্প্রতি ব্রুকলিনের বায়তুল মামুর মসজিদে হিফজুল কোরআন গ্রাজুয়েশন উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন , কোরআন এক মোজেজা। ছোট বড় সবাই এই কোরআনকে মুখস্ত করতে পারে, কিয়ামত পর্যন্ত এই কোরআন মানুষের জন্য নির্ভুল হিসাবে টিকে থাকবে মানুষের হেদায়েতের জন্য।

বায়তুল মামুর মসজিদের হিফজুল কোরআন বিভাগের একজন ছাত্র হিফজ শেষ করা উপলক্ষে আযয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে মেহমান হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ম্যানহাটন ইসলামিক সেন্টারের ইমাম মাওলানা শেখ মোস্তফা, মাওলানা আবু সাঈদ আমিন, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের হিফজ বিভাগের পরিচালক। মুনার ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট জনাব আবু আহমেদ নুরুজ্জমান।

অনুষ্ঠানে ছাত্ররা কোরআন থেকে তিলাওয়াত, ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোচনা, বিষয় ভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সকলের মনোযোগ আকর্ষণ করেন।

উল্লেখ্য বায়তুল মামুর মসজিদে এই হিফজ খানা ৩ বছর আগে শুরু হয়। এতে এখন প্রায় ২০ জনের মত নিয়মিত ছাত্র ফুল টাইম হিফজ করছেন।

মূলধারায় দক্ষিণ এশিয়ানদের ভিত্তি শক্ত করার জন্য এ্যাসাল’র সংবাদ সম্মেলনে রেশমা সাউজানি’র অঙ্গীকার

শারমীন আক্তার : নিউইয়র্ক সিটির আসন্ন প্রাইমারি নির্বাচনে পাবলিক এডভোকেট পদপ্রার্থী এবং প্রাক্তন ডেপুটি পাবলিক এডভোকেট এবং জাতীয় নন-প্রফিট অর্গানাইজেশন “গার্লস হু কোড” এর উদ্যোক্তা ভারতীয় বংশোদ্ভুত রেশমা সাউজানি সম্প্রতি এ্যাসাল আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে ‘সাউথ এশিয়ানস ফর রেশমা’ নামে তার নির্বাচনী প্রচারাভিযানের ঘোষণা দেন। সেই সাথে নির্বাচিত হলে নিউইয়র্ক সিটিতে বসবাসরত সাউথ এশিয়ান কমিউনিটির স্বার্থে কাজ করে যাবেন বলে অঙ্গীকারবদ্ধ হন।
নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিকে সর্বপ্রথম এলাইয়েন্স অব সাউথ এশিয়ান-আমেরিকান লেবার (এ্যাসাল) রেশমাকে তাদের সমর্থন প্রদান করে। এ্যাসাল নিউইয়র্কে বসবাসরত সাউথ এশিয়ানদের যুক্তরাষ্ট্রের বিগত কয়েকটি নির্বাচনে প্রত্যক্ষ ভাবে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কাজ করে গেছে। সেই সাথে তারা সিটি এবং ফেডারেল অফিসের গুরুত্বপূর্ণ পদে এমন প্রার্থীদের সমর্থন দিয়েছে যারা যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত দক্ষিণ এশিয়দের কল্যাণে কাজ করে যাবার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় গত পহেলা জুন এ্যাসাল নেতৃবৃন্দ একটি সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে এবং ষ্টেটের নির্বাচিত প্রতিনিধি, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে রেশমা সাউজানিকে তাদের আনুষ্ঠানিক সমর্থন প্রদান করে। অনুষ্ঠানে লেবার লিডার এবং এ্যাসাল’র প্রেসিডেন্ট মাফ মিসবাহ তার বক্তব্যে রেশমা সাউজানির প্রগতিশীল পরিচয়পত্রের ধারা এবং কমিউনিটির প্রতি তার দীর্ঘমেয়াদী প্রতিজ্ঞার কথা তুলে ধরেন।  তিনি বলেন, “রেশমা আমাদের মেয়ে, আমাদের বোন এবং আমাদের মতোই দেখতে একজন। তাই আসন্ন নির্বাচনে তার জয় নিশ্চিত করতে আমাদের সকলকে সম্মিলিতভাবে  কাজ করতে হবে। এই লক্ষ্যে সিটির পাচঁটি বরোতেই আমাদের কন্ঠস্বর ছড়িয়ে দিতে হবে। আমি জানি রেশমা আমাদের গর্বিত করবে।”
রেশমাকে একটি প্রগতিশীল ব্যক্তিত্ব হিসেবে আখ্যায়িত করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত কুইন্স ক্উান্সিলম্যান মার্ক ওয়েপ্রিন বলেন, পাবলিক এডভোকেট হিসেবে আমাদের  এমন একজন ব্যক্তি দরকার যিনি নির্বাচিত হলে শুধুমাত্র দক্ষিণ এশিয়ানদেরই নয় বরং পুরো নিউইয়র্ক সিটিকে একত্রিত করতে সমর্থ হবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, রেশমা সেই রকম একজন ব্যক্তিত্ব। তার মতে, রেশমা সিটির পাচঁটি বরোর প্রতিটি কমিউনিটিতেই পৌঁছাতে পেরেছেন, তিনি প্রতিটি মানুষের অন্তর ছুঁতে পেরেছেন এবং তিনি আমাদের সকলের জন্য যোগ্য কন্ঠস্বর। ভাই এসেম্বলীম্যান ডেভিড ওয়েপ্রিনকে সাথে নিয়ে মার্ক ওয়েপ্রিন রেশমার নির্বাচনি প্রচারণায় প্রথম থেকেই দৃঢ় সমর্থন দিয়ে আসছেন।
সভায় এক আবেগপূর্ণ বক্তব্যে রেশমা একজন পাবলিক এডভোকেট হিসেবে সিটির অবহেলিত দক্ষিণ এশিয় কমিউনিটির পক্ষে কাজ করার জন্য অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন, “সিটির মোট জনসংখ্যার দুই তৃতীয়াংশই হচ্ছে ইমিগ্র্যান্ট । কিন্তু তারপরও আমাদের সন্তারা সুশিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমাদের কমিউনিটির ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা এখনও মূলধন সুবিধা এবং সঠিক পরামর্শ গ্রহণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমাদের কমিউনিটি তার প্রাপ্য সুযোগ সুবিধাগুলোও ঠিকমত পাচ্ছে না। আমি আপনাদের জানি। আপনাদের গল্প আমারই গল্প এবং পাবলিক এডভোকেট নির্বাচিত হলে আমি আপনাদের জন্য লড়াই করে যাব।”
তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচনী প্রচারণা শুধু তার একার নয়, বরং কমিউনিটির সবার। তার মতে, দক্ষিণ এশিয়ানরা এদেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের পদচ্ছাপ রাখলেও নিউইয়র্কের মূলধারার রাজনীতিতে আজও তারা কোন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হতে পারেনি। সেই লক্ষ্য পূরণে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ এর প্রাইমারিতে নিউইয়র্ক সিটিতে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হবে।
নির্বাচনে জয়লাভ করলে রেশমাই হবেন নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক অফিসে নির্বাচিত প্রথম দক্ষিণ এশিয়ান। এ্যাসাল’র প্রাথমিক সমর্থন এবং সেই সাথে সিটির পাঁচটি বরোতে বসবাসরত দক্ষিণ এশিয়ান কমিউনিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের ঐক্যবদ্ধ সর্মথনে সিটির নতুন প্রজন্মের ভোটারদের লক্ষ্য করে রেশমা তার নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। উল্লেখ্য, এ্যাসাল’র সমর্থন প্রদানের পরপরই কুইন্স কাউন্টি ডেমোক্রেটিক অর্গানাইজেশন এবং এর নেতৃবৃন্দ, রিপ্রেজেন্টেটিভ জোসেফ ক্রাউলি, দ্য ব্রুকলীন কুইন্স ন্যাশনাল অর্গ্যানাইজেশন অব উইমেন এবং ব্রঙ্কস এ্যাসেম্বলীম্যান মার্কোস ক্রেসপো রেশমা সাউজানিকে সমর্থন প্রদান করেছে।
এ্যাসাল কুইন্স চ্যাপ্টার প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ তুহিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় এ্যাসাল’র পলিটিক্যাল একশন ডিরেক্টর এটর্ণী আলি নাজমি, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মোহাম্মদ শাবুল উদ্দিন ছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিষ্ট্রিক্ট লিডার মার্থা টেলর, ইন্ডিয়া এসোসিয়েশন অব লং আইল্যান্ড এর ভাইস প্রেসিডেন্ট সাতনাম পার্হার, নিউ আমেরিকান ডেমোক্রেটিক ক্লাব এর প্রেসিডেন্ট মোর্শেদ আলম, আমেরিকান এসোসিয়েশন অব ফিজিশিয়ান্স অব ইন্ডিয়ান অরিজিন এর রাজনৈতিক উপদেষ্টা দিল চৌহান, এটর্ণী মঈন চৌধুরী, কমিউনিটি লিডার এ কে এম শফিক, ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, তৈয়বুর টনি, এ্যাসাল ব্রঙ্কস চ্যাপ্টার এর সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবু শাকুর, এ্যাসাল ব্রুকলীন চ্যাপ্টার এর সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এহসানুল হক, হারপ্রিত সিং তুর এবং সিটির বিভিন্ন কমিউনিটি এবং লেবার নেতৃবৃন্দ।

এয়ার টিকেট কিনতে প্রতারক এজেন্ট থেকে সাবধান!

আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের মিট দ্যা প্রেসে বক্তারা

বাংলানিউজ এজেন্সি: নিউইয়র্কে এয়ার টিকেট কেনার ক্ষেত্রে সাবধান হতে পরামর্শ দিয়েছেন ট্রাভেলস ব্যবসায়ী এবং কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ। তারা বলেছেন, কিছু অসাধু ট্রাভেলস এজেন্ট এবং ভূঁইফোর প্রতিষ্ঠান ঘরে বসে কমমূল্যে টিকেট বিক্রি করে যাত্রীদের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। তাদেও খপ্পড়ে পড়ে ঐ সকল যাত্রীরা বিমান বন্দরে গিয়ে যাত্রীরা বাড়ি ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।

আন্তর্জাতিক লোক সঙ্গীত সম্মেলন আগষ্টের তৃতীয় সপ্তাহে

গত ৩ জুন সোমবার জ্যাকসন হাইটসের একটি রেস্টুরেন্টে ‘আন্তর্জাতিক লোক সঙ্গীত সম্মেলন ২০১৩’ উদ্যাপন কমিটির প্রস্তুতি সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিউনিটির বিশিষ্ট নেতা এবং সম্মেলন উদযাপন কমিটির আহবায়ক এম. আমিন উল্লাহ। সভা পরিচালনা করেন আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব নুর ইসলাম বর্ষন। সভায় আলোচনায় অংশ নেন ম. আনোয়ার খন্দকার, আশরাফ উদ্দিন ভূইয়া, শহিদুল সরকার, সাকিনা ডেনী, ফাহাদ সোলায়মান, রাসেল ঠাকুর, কবি অবিনাশ চন্দ্র আচার্য্য, সেলিম ইব্রাহিম, আব্দুল মান্নান প্রমুখ।

এবারের সম্মেলন উৎসর্গ করা হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে। সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে যোগদানের সম্মতি জানিয়েছেন কবি নাতনী খিলখিল কাজী এবং নজরুল গবেষক ও লোক সঙ্গীতের প্রাণ পুরুষ মুস্তফা জামান আব্বাসী। উপমহাদেশ তথা সার্কভূক্ত ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, বার্মা ও বাংলাদেশের স্থানীয় শিল্পীবৃন্দ সম্মেলনে সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন করবেন। সম্মেলনে নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের নিয়ে মনোজ্ঞ প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান, কবিতা পাঠের আসর, নজরুল বিষয়ক সেমিনার, লোকজ মেলা, সুভেনিয়র প্রকাশ ইত্যাদি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সম্মেলন উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে উপমহাদেশের সঙ্গীত স¤্রাজ্ঞী ফেরদৌসী রহমানকে আজীবন সম্মামনা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

-সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

নির্মল সেনের মৃত্যুতে আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের শোক

বাংলাদেশের বরেণ্য সাংবাদিক নির্মল সেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে আমেরিকা-বাংালাদেশ প্রেস ক্লাব। আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল আহসান এবং সাধারণ সম্পাদক দর্পণ কবীর এক বিবৃতিতে প্রয়াত সাংবাদিক নির্মল সেনের বিদেহী আত্মার সৎগতি কামনা করে বলেছেন, জাতি মিডিয়া জগতের নির্লোভ এবং নির্মোহ এক অভিবাবককে হারালো। তাঁর প্রয়াণে যে ক্ষতি সাধিত হয়েছে, তা কোনভাবেই পূরণীয় নয়। আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সকল সদস্য এই কলম সৈনিকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

যুক্তরাজ্য বিএনপি কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে

শায়েস্তা চৌধুরি কুদ্দুসকে সভাপতি, কায়সার এম আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক ও আব্দুল হামিদ চৌধুরিকে সিনিয়র সহ-সভাপতি করে ১৭১ সদস্য বিশিষ্ট যুক্তরাজ্য বিএনপি’র কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য শামসুজ্জামান দুদু গত ২৯ মে এ কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন। এ ছাড়াও ২৩ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সহ সভাপতিরা হলেন আবুল কালাম আজাদ, টমাস আলী, এম লুৎফর রহমান, শাহ আক্তার হোসেন টুটুল, মন্জুরুস ছামাদ চৌধুরি, শহীদুল্লাহ খান, কাজী আজগর মিয়া, আব্দুল হাই, এম এ রউফ, আকতার হোসেন, তাজুল ইসলাম,. আহমেদ আলী, মুজিবুর রহমান মুজিব, আবু তাহের চৌধুরি, আনাম মিয়া, গোলাম রাব্বানী, আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক হলেন নাসিম আহমেদ চৌধুরি, ব্যারিস্টার আবু সায়েম, শহীদুল ইসলাম মামুন, সহকারী সাধারন সম্পাদক হলেন শেখ লাকী আহমেদ, এডভোকেট তাহির রায়হান চৌধুরি পাভেল, ফেরদৌস ইসলাম, সহ সম্পাদক সাদেক হোসাইন মোসাদ,সামসুর রহমান মাথাব,সাদেক মিয়া,হেলাল নাসমুজ্জামান,ইসসাইল উদ্দিন,আহাম্মেদ রহমান সোহেল,ব্যারিস্টার এ.কে.এম কামরুজ্জামান,তাজ উদ্দিন,করিম উদ্দিন,ব্যারিস্টার লিটন। সাংগঠনিক সম্পাদক জি-১ : জসিম উদ্দিন সেলিম , সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জি-১:এ্যাড.খলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জি-২:আজমল হুসাইন চৌধুরী জাবেদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জি-২: সুজাতুর রেজা, সাংগঠনিক সম্পাদক জি-৩:আহাদ নাছিম রেজা, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জি-৩ জয়নাল আবেদিন, সাংগঠনিক সম্পাদক জি-৪: মুনসুর রহমান রুবেল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জি-৪: সুমন রায়,

কোষাধক্ষ্য: হাবিবুর রহমান ময়না, সহ কোষাধক্ষ্য: এনামুল হক ইনু, সালেক আহমেদ। দপ্তর সম্পাদক: ড. মজিবুর রহমান, সহ দপ্তর সম্পাদক: ইমদাদুল হোসেন, জাহেদ আলি, প্রচার সম্পাদক: এম.এ কাইয়ুম, সহ প্রচার সম্পাদক:আব্দুল করিম, রাজু মিয়া, সহকারী প্রচার সম্পাদক মোতাহের হোসেন লিটন। মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক জুনায়েদ আহমেদ, সহকারী মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক কামরুজ্জামান ও দেলোয়ার হোসেন দিপু। আইন বিষয়ক সম্পাদক: বিপ্লব কুমার পোদ্দার। সহকারী আইন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মোল্লা, মোস্তফা আহমেদ, প্রফে: ফরিদ উদ্দিন।

তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক: কাউন্সিলর মিজানুর রহমান, সহকারী তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক সালেহ আহমেদ, কাজী দেলোয়ার হোসেন, ক্রিড়া সম্পাদক  জামাল উদ্দিন, সহকারী ক্রিড়া সম্পাদক শাহেদ আহমেদ চৌধুরি, আবুল হোসেন, সাং¯তৃতিক সম্পাদক তারিক চৌধুরি কাজল, সহকারী সাংস্কৃতিক সম্পাদক এস এম লিটন, তাজবির চৌধুরি শিমুল, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হোসেন জাহিদ, সহ ছাত্রবিষয়ক শরীফুল ইসলাম রিবলু, আব্দুল হাই বাপ্পি, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শিল্পী আকতার, অঙ্গনা আলম, মমতাজ হাফিজ, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক শেখ শামসুর রহমান শামীম, সহকারী শ্রমবিষয়ক সম্পাদক আহমেদ আলী, জহিরুল ইসলাম সুমন, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক এম এ সহিদ, সহকারী কৃষিবিষয়ক সম্পাদক হাজী রফিক মিয়া, বেলাল আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আকতার, সহকারীস্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক নাসির আহমেদ শাহীন, মির্জা নিক্সন, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আবুল মুকিত খান বাদশা, সহকারী ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শামীম আহমেদ, সহ ধর্ম সম্পাদক:এ্যাড.এম.এ আজাদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার আব্দুল মজিদ তাহের। সহকারী শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সালেহ আহমেদ জিলান ও মাস্টার আনোয়ার মিয়া। সমাজ কল্যাণ সম্পাদক রাজন আলী সৈয়দ। সহকারী সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শের-ই সাত্তার ও  কামালউদ্দিন। যুব সম্পাদক আব্দুল হাই অপু। সহকারী যুব সম্পাদক জালাল আহমেদ, আফজাল হোসেন ও মো: টিপু আহমেদ। ব্যবসা  ও বিনিয়োগ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল সাত্তার  আব্দুল সোহেল। সহকারী ব্যবসা  ও বিনিয়োগ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মতিন সোহেল, রেহানউদ্দিন  দুলাল,  আব্দুল ওয়াহেদ,  শহিদুল্লাহ হক। পরিবার পরিকল্পনা বিষায়ক সম্পাদক: ইকবাল আহমেদ, সহকারি পরিবার পরিকল্পনা বিষায়ক সম্পাদক: আবদুল মালেক,সায়িদ জিল্লু হক,সমবায় বিষায়ক সম্পাদক:শেখ আলি আহমেদ,সহ সমবায় বিষায়ক সম্পাদক: সালেহ আহমেদ, আব্দুল হামিদ খান হাবিব, স্বাস্থ্য সম্পাদক: ড. খন্দাকার আনিসুজ্জামান, সহ স্বাস্থ্য সম্পাদক:জামিল আহমেদ

বৈদেশিক কল্যাণ বিষায়ক সম্পাদক: খসরুজ্জামান খসরু, সহ বৈদেশিক কল্যাণ বিষায়ক সম্পাদক: ফয়েজুর রহমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষায়ক সম্পাদক: খলকু মিয়া, সহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষায়ক সম্পাদক: অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। মানবাধিকার বিষায়ক সম্পাদক: ব্যারিষ্টার ইকবাল হোসেন, সহ মানবাধিকার বিষায়ক সম্পাদক: এইচ এস সামসুজ্জোহা, মো: মেজবা চৌধুরী। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক: আক্তার মাহমুদ, সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক: মতিউর রহমান মারজানুল হক প্রমুখ।

নির্বাহি সদস্যরা হলেন: ব্যারিষ্টার আব্দুল সালম,ইমদাদ হোসেন টিপু, মেসবা উদ্দিন, ব্যারিস্টার মাহি আরমান রফিক, মল্লিক হোসেন আহমেদ হাসনু  দেওয়ান মোকাদ্দিম নেওয়াজ, মেজবাহউজ্জামান সোহেল, আশরাফ হোসেন মুকুল, জাফর আলী লিলু, মুরাদ আহমেদ, মো: আব্দুল কাহার, মাহফুজ আহমেদ শিপলু, ড. আব্দুল আজিজ, খলিলুর উদ্দিন পলু, জালাল আহমেদ চৌধুরী,  লিটন চৌধুরী, মিজানুর রহমান, এনামুল হক লিটন, সৈয়দ তানজির আল ওহাব, ইসতিয়াক আহমেদ দুধু, মোস্তফা সালেহ লিটন, হুমায়ুন কবির, সুলাইমান খান, আবুল হাসনাত রিপন, শহিদুল ইসলাম স্বপন, নুরুল হক, এম এ সালাম, আবু হেনা আজিজ, দেওয়ান আব্দুল বাসিথ, জাকির আহমেদ কাবেরী, নুরুল ইসলাম, নানু মিয়া, তারু মিয়া, জাহিদ চৌধুরী, জিয়াউল হক জিয়া, নাজিম উদ্দিন, আব্দুস সোবহান,  নাজিমুল ইসলাম লিটন, আব্দুল বাসিথ বাদশা, আব্দুর রব, বাবর আহমেদ, আশরাফুল হিরা, খিজির আহমেদ, মিজানুর রহমান, মো: মোস্তাক আহমেদ, আরিফ আহমেদ প্রমুখ।

কমিটির প্রধান উপদেষ্টা হলেন, মহিদুর রহমান, উপদেষ্টারা হলেন এম এ মালেক, মিঞা মনিরুল ইসলাম, গোলাম মর্তুজা, আবদুল আজিজ সরদার, প্রফেসর সৈয়দ মামনুন রহমান, আবদুল লতিফ জেপি, মজিবুর রহমান মজিব, সৈয়দ মজিবুর রহমান, নাসরুল¬া খান জুনায়েদ, ব্যারিষ্টার ওয়াসিফুর রহমান তালুকদার, আলহাজ্ব সিরাজ মিঞা, ড. এম এ আজিজ, আবদুল আহাদ, নিজাম মিঞা, রফিক উল¬া, জয়নাল চৌধুরী, নুরুল আমিন, কামাল হোসাইন, শামীম আহমেদ, ময়না মিঞা, শাবু নেওয়াজ, আবদুল হান্নান

জনপ্রিয় লেখক বন্দনা কবিরের সাথে নিউ ইয়র্কে সাহিত্য পরিষদের সম্প্রীতি সম্মিলন ১৮ জানুয়ারী

নিউ ইয়র্কঃ বাংলাদেশের জনপ্রিয় লেখক বন্দনা কবির  বর্তমানে এক বিশেষ সফরে যুক্তরাষ্ট্র অবস্থান করছেন। তিনি ১৮ জানুয়ারী শুক্রবার সন্ধ্যে ৭.৩০টায় নিউ ইয়র্ক এর সুপরিচিত সাংস্কৃতিক সংগঠন সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক তাঁর সম্মানে আয়োজিত এক বিশেষ সম্প্রীতি সম্মিলনে যোগ দেবেন। জ্যাকসন  হাইটস এর মেঘনা  শপিং মলের দোতালায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিল্প এবং সাহিত্য প্রেমিদের সাদর আমন্ত্রন জানানো হয়েছে।

More Articles...

  1. জ্যামাইকা ফ্রেন্ডস সোসাইটির ঈদ পূনর্মিলনী ও বার্ষিক মেলার ব্যাপক প্রস্তুতি
  2. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভোলার না : মেডফোর্ড সিটি মেয়র
  3. ড. মোশাররফ ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে বৃত্তি প্রদান
  4. অফিসে ফিরছেন হিলারি
  5. বিচারপতি ঈমান আলীর সঙ্গে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএস’র মত বিনিময়
  6. ব্রঙ্কস ব্রাদার্স ও নিউজার্সীর জয় : আশরাফ ও রাফির হ্যাট্রিক
  7. আটলান্টিক সিটিতে কমিউনিটি সেন্টার নির্মানের ঐক্যমত
  8. ভিওএ’তে ফকির সেলিমের যোগদান উপলক্ষে আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের আনন্দ সভা
  9. সিলেট ডিষ্টিক্ট সোসাইটির উদ্যোগে কৃতি ছাত্র ছাত্রী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কংগ্রেসম্যান হেকিম জাফরি
  10. লন্ডনে সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী হামলায় একজন ব্যক্তি নিহত
Joomla Templates and Joomla Extensions by JoomlaVision.Com
  • পপাত ধরণীতল!!

    পপাত ধরণীতল!!

    সাঈদ তারেকএই ভাটি বেলায় এসে সিটি ইলেকশনের বুদ্ধিটা কে যে দিয়েছিল! কি হতো চার সিটিতে নির্বাচনটা না করালে! মেয়াদ শেষ হয়ে গেছিলো? তো মেয়াদ তো ঢাকারও শেষ হয়ে গেছে পাঁচ…

  • চার সিটি নির্বাচনের ফলাফল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে নাকি বিপক্ষে ?

    চার সিটি নির্বাচনের ফলাফল  তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে নাকি বিপক্ষে ?

    জাহিদ হাসান বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের আমলে এবং নির্বাচন কমিশনের অধীনে ১৫ জুন রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হয়ে গেল, এতে সব কয়টা মেয়র ও অধিকাংশ কাউন্সেলর পদে…

  • তারেক জিয়া দেশে ফিরলে বিএনপি’র লাভ-ক্ষতি

    তারেক জিয়া দেশে ফিরলে বিএনপি’র লাভ-ক্ষতি

    সাঈদ তারেক ............ কয়েক দিন আগে দেখা গেল তারেক জিয়া দেশে ফিরে আসছেন- এই এক খবরে সরকারি দলের লোকজনের কাপড়-চোপড় নষ্ট হবার দশা! শুরু হলো স্বভাবসূলভ প্রলাপ বকা। এক মন্ত্রী…

  • বাংলাদেশে শত্রুশক্তির যুদ্ধ

    ফিরোজ মাহবুব কামাল ......... শত্রুপক্ষের রণকৌশল : মুসলমানগণ কোন কালেই শত্রুমুক্ত ছিল না। আজও নয়। যেখানেই মুসলমান আছে সেখানে শয়তান এবং তার দলবল ও রণকৌশলও আছে। কোন বিজন দ্বীপে ঈমানদার…

  • বিরোধী দলকে জুজুর ভয় দেখানো হচ্ছে ১/১১ এর সরকার কি তত্ত্বাবধায়ক ?

    জাহিদ হাসান .......... দেশে আর কয়েক মাস পরেই আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের ৫ বছরের মেয়াদ শেষ হবে, নিয়ম অনুযায়ী বা সংবিধান মেতাবেক ২০১৪ সালের জানুয়ারী মাসের মধ্যে পরবর্তি সংসদ…

You are here: কমিউনিটি