বিশেষ সংখ্যা

বিজয়ের মাস : প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির

  • PDF

বিশেষ প্রতিবেদন : পহেলা ডিসেম্বর শনিবার। এলো মহান বিজয়ের মাস। সময় গলতে গলতে দেশের জীবন থেকে ৪১ বছর শেষ হয়ে গেল। এমাসের সাথে জাতীয় জীবনের সম্পর্ক রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও আবেগের। আমাদের লাল-সবুজ পতাকা, নিজস্ব মানচিত্র, নিজস্ব সত্তা-পরিচয় ও বিকাশের বীজ এ মাসেই পূর্ণরূপে অঙ্কুরিত হয়েছিল। যখনই ডিসেম্বর আসে তখন দেশপ্রেম ও দ্রোহের ফল্গুধারায় প্লাবিত হয় গোটা দেশ, এমনকি প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতিটি হৃদয়।

১৯৭০ সাল পর্যন্ত আমাদের জাতীয় জীবনবোধে ইংরেজি বছরের শেষ মাসটির তেমন আবেদন ছিল না। পরের বছর ১৯৭১ সাল থেকেই এর সাথে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে যায় বাংলাদেশের নামটি। এ মাস এলেই দেশপ্রেমিক জনতাসহ জাতীয় জীবনের সর্বত্র লাগে আবেগের ঢেউ। দীর্ঘ চল্লিশ বছরের ব্যবধানেও স্বকীয় বৈশিষ্ট্য সমুজ্জ্বল, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির প্রতীক এমাসটি।

 

খালেদার দুঃখের দিন-রাত

  • PDF

সাজেদুল হক : তিন দশকের পুরনো হলেও ছবিটি এখনও নতুন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কফিনের ওপর কান্নায় ভেঙে পড়া খালেদা জিয়া। পাশে পুত্র তারেক রহমান। হৃদয় এফোঁড়-ওফোঁড় করে দেয়া সে ছবি আজও পাওয়া যাবে পুরনো সংবাদপত্রের ফাইলে। স্বামীকে হারিয়ে দু’ সন্তান নিয়ে অথৈ সাগরে পড়েন খালেদা। সংসার জীবনে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পাশাপাশি বাস্তবতার অপরিহার্যতায় রাজনীতিতেও অভিষেক হয় খালেদা জিয়ার। শুরুতে দলের ভেতরেই নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন তিনি। গৃহবধূ থেকে রাজনীতিতে আসা খালেদা সে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেন কঠোর অনমনীয়তায়। এরশাদবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে সাহসী ভূমিকা তার জন্য বয়ে নিয়ে আসে আপসহীন নেত্রীর খেতাব। ’৯১’র নির্বাচনে তিনি চমকে দেন সবাইকে। নিজে পাঁচটি আসনে জয়ী হওয়ার পাশাপাশি তার দল বিএনপিও জয়লাভ করে নির্বাচনে। প্রধানমন্ত্রীর আসন অলঙ্কৃত করেন বেগম জিয়া। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ’৯৬’র ভোটারবিহীন নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন তিনি। তবে দিনকয়েক দায়িত্ব পালন করেই পদত্যাগে বাধ্য হন। একই বছর অনুষ্ঠিত সপ্তম সংসদ নির্বাচনে বিরোধীদলীয় নেত্রীর আসনে বসেন খালেদা জিয়া। ২০০১’র অষ্টম সংসদ নির্বাচনে আবারও বিপুল গৌরবে জয়লাভ করে তার নেতৃত্বাধীন জোট। তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেন খালেদা জিয়া। তবে ২০০৬ সালে ক্ষমতা থেকে বিদায়ের পরই নতুন করে বিপর্যয় নেমে আসে তার জীবনে। ক্ষমতার শেষ দিকে রাজপথে সহিংস বিক্ষোভ মোকাবিলা করতে হয় তাকে। ২০০৭ সালের ওয়ান ইলেভেনে ক্ষমতায় আসে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। খালেদা জিয়ার পুরো পরিবারকেই কারাগারে বন্দি করা হয়। তার আগেই গ্রেপ্তার করা হয় তার বড় ছেলে তারেক রহমানকে। পরে ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় তাকেও। দুঃসহ এই সময়ে দলের বেশির ভাগ নেতা আবারও বিশ্বাসঘাতকতা করেন তার সঙ্গে। সংস্কারপন্থি সাজেন তারা। তবে প্রয়াত খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে বেশির ভাগ কর্মী খালেদা জিয়ার সঙ্গেই ছিলেন। জরুরি জমানায় এক বছরের কারাজীবনে নানা দুঃসংবাদ শুনতে হয় তাকে। কারাগারে বসেই মা তৈয়বা মজুমদারের মৃত্যুর খবর পান তিনি। মা’কে শেষবার দেখার জন্য সে সময় প্যারোলে মুক্তি দেয়া হয়েছিল তাকে। কারাগারে থাকা অবস্থায়ই নির্মম নির্যাতনের শিকার হন তারেক রহমান। অসুস্থ হয়ে পড়েন আরাফাত রহমান কোকো। অসুস্থ কোকোকে পরে প্যারোলে মুক্তি দেয়া হয়। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে কয়েকদিনের ব্যবধানে মুক্তি পান খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান। নির্যাতনে গুরুতর আহত তারেক রহমানকে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় লন্ডন। সন্তানের বিদায়ের দিনে এক সংবাদ সম্মেলনে কান্নায় ভেঙে পড়েন খালেদা। দীর্ঘ রাজনীতির ক্যারিয়ারে সেবারই প্রথম প্রকাশ্য তাকে এভাবে কাঁদতে দেখা যায়। শুরুতে নবম সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে রাজি ছিলেন না খালেদা জিয়া। পরে নানামুখী চাপে নির্বাচনে অংশ নিতে বাধ্য হন তিনি। নির্বাচনী প্রচারণায় সারাদেশ চষে বেড়ান খালেদা। তবে এতে কোন সুফল মিলেনি। নিজে পাঁচ আসনে জয়ী হলেও তার দল বিএনপি মুখোমুখি হয় ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের। নির্বাচনের পরও ভাগ্য বিপর্যয় অব্যাহত থাকে তার। স্বামীর স্মৃতিবিজড়িত ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করা হয় তাকে। বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার সময় তার কান্নার দৃশ্য অনেকেরই হৃদয় ছুঁয়ে যায়। খালেদা জিয়ার দু’ ছেলে সপরিবারে এখনও দেশের বাইরে। অসুস্থতা আর মামলার রাজনীতির কারণে বর্তমান মহাজোট জমানায় তাদের দেশে ফেরার সম্ভাবনা নেই। ঢাকায় একাকী জীবন যাপন করা খালেদা রোববার পান আরও বড় দুঃসংবাদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে খবর আসে মারা গেছেন তার ছোট ভাই অবসরপ্রাপ্ত মেজর সাঈদ এস্কান্দার। গতকাল তার মরদেহ ঢাকায় আসে। ছোট ভাইয়ের মরদেহ দেখে নিজেকে সামলাতে পারেননি খালেদা জিয়া। তার অঝোর কান্নায় চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি উপস্থিত বিএনপির নেতা-কর্মীরাও। রাজনীতি এবং ব্যক্তিজীবনে একের পর এক দুঃসংবাদে বিপর্যস্ত খালেদা জিয়া। সামনের দিনগুলো তার জন্য কি সংবাদ নিয়ে আসে তা-ই এখন দেখার বিষয়।

ফুলেল শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় সমাহিত হলেন সাঈদ এস্কান্দার

স্টাফ রিপোর্টার জানিয়েছেন, ফুলেল শ্রদ্ধা আর নেতাকর্মীদের ভালবাসায় সমাহিত হলেন মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) সাঈদ এস্কান্দার। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, ফেনী জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এ এমপিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে নয়াপল্টনে নেমেছিল নেতাকর্মীদের ঢল। দলের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে নয়াপল্টনে ছোট ভাইয়ের কফিনে ফুল দিয়েছেন খালেদা জিয়া। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শেষ শ্রদ্ধা জানান স্পিকার, সরকারি দল আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। সশস্ত্র লড়াইয়ে অংশ নেয়া এ মুক্তিযোদ্ধাকে সেখানে দেয়া হয় গার্ড অব অনার। সকালে মরদেহ দেশে আসার পর তিন দফা জানাজা শেষে সন্ধ্যায় বনানীর সামরিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।

লাশ গ্রহণ করলেন মির্জা আলমগীর ও শামীম এস্কান্দার

গতকাল সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে সাঈদ এস্কান্দারের মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছে। এ সময় আনুষ্ঠানিকভাবে লাশ গ্রহণ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মরহুমের ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার ও বিরোধী নেতা খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব সালেহ আহমেদ। আগে থেকেই লাশ গ্রহণের জন্য বিমানবন্দরের ভিআইপি গেটে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার (অব.) আ স ম হান্নান শাহ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান পটল, মীর মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন, ডা. জাহিদ হোসেন, দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ, ফেনী-২ আসনের এমপি ভিপি জয়নাল, ফেনী-৩ আসনের এমপি মোশাররফ হোসেন, রেহানা আকতার রানু এমপি প্রমুখ। এছাড়া যুবদল, ছাত্রদলসহ বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাঈদ এস্কান্দারের আত্মীয়-স্বজনরা বিমানবন্দরে উপস্থিত হন।

ভাইয়ের কফিনের পাশে

কাঁদলেন খালেদা

সকাল ১০টায় বিমানবন্দর থেকে আলিফ মেডিকেল সার্ভিসের একটি এম্বুলেন্সে করে বারিধারার পার্ক রোডের নিজ বাসভবনে নেয়া হয় সাঈদ এস্কান্দারের মরদেহ। সোয়া ১০টায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ছোটভাইয়ের লাশ শেষবারের মতো দেখতে পার্ক রোডের বাসভবনে যান। সেখানে ভাইয়ের লাশ দেখে ভাইপোকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। এ সময় সাঈদ এস্কান্দারের স্ত্রী নাসরিন এস্কান্দার, দুই ছেলে শামস, সাফিন ও মেয়ে সুমাইয়াসহ আত্মীয়স্বজনরাও কান্নায় ভেঙে পড়েন। এরপর সাঈদ এস্কান্দারের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই মরহুমের বাসভবনে কোরআন তেলাওয়াত করা হয়। এরপর সর্বসাধারণের দেখার জন্য সাঈদ এস্কান্দারের লাশ বাসভবনের সামনে রাখা হয়। এসময় বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

গার্ড অব অনার, এমপিদের শ্রদ্ধা

বারিধারার বাড়ি থেকে দুপুরে তার মরদেহ নেয়া হয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। সেখানে সংসদ ভবন মসজিদের ইমাম মাওলানা ইবরাহিমের পরিচালনায় প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব.) শওকত আলী, সরকারদলীয় চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আবদুস শহিদ, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম, বিরোধীদলীয় এমপি এমকে আনোয়ার, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, বরকত উল্লাহ বুলু, নিজামউদ্দিন আহমেদ, মে. জে. (অব.) মাহমুদুল হাসান, ভিপি জয়নাল, আশরাফ উদ্দিন নিজান, মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, হারুনুর রশিদ, ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, জামায়াতের হামিদুর রহমান আজাদ, ড. ওসমান ফারুক, মোসাদ্দেক আলী ফালু, এসএ খালেক, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, একুশে টেলিভিশনের চেয়ারম্যান আবদুস সালাম, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বদরুদ্দোজা বাদলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা অংশ নেন। জানাজা শেষে জাতীয় সংসদের স্পিকারের পক্ষে ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব.) শওকত আলী, আওয়ামী লীগের পক্ষে সরকারদলীয় চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ, বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ারের নেতৃত্বে বিরোধীদলীয় এমপিরা এবং জামায়াতের পক্ষে হামিদুর রহমান আযাদ এমপি সাঈদ এস্কান্দারের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে তাকে গার্ড অব অনার দেয়া হয়।

নয়াপল্টনে নেতাকর্মীদের ঢল

নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনে সাঈদ এস্কান্দারের দ্বিতীয় জানাজায় নেমেছিল নেতাকর্মীদের ঢল। বিকাল ৩টায় নয়াপল্টনে নেয়া হয় তার মরদেহ। সেখানে বিএনপির পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। অশ্রুসিক্ত নয়নে ছোটভাই ও দলীয় এ নেতার কফিনে ফুল দিয়েই বাসায় ফিরে যান তিনি। এরপর নেতাকর্মীদের বিপুল অংশগ্রহণে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ওলামা দলের সভাপতি হাফেজ মাওলানা আবদুল মালেক জানাজার নামাজ পরিচালনা করেন। নয়াপল্টনের জানাজায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আরএ গণি, ড. খন্দকার মোশররফ হোসেন, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, তরিকুল ইসলাম, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, এম. মোরশেদ খান, সাদেক হোসেন খোকা, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও চট্টগ্রামের মেয়র এম. মঞ্জুর আলম, শামসুজ্জামান দুদু, এডভোকেট হারুন আর রশিদ, রিজভী আহমেদ, ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন এমপি, আবদুস সালাম, ফজলুল হক মিলন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাইফুল আলম নীরব, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, মীর সরাফত আলী সপু, ছাত্রদল সভাপতি আবদুল কাদের ভূঁঁইয়া জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিবসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা জানাজায় অংশ নেন। জানাজা শেষে বিএনপিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে কফিনে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সাঈদ এস্কান্দারের মতো একজন নেতাকে হারিয়ে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। দলে তার অবদানের কারণে দল তাকে আজীবন স্মরণ রাখবে। নয়াপল্টন থেকে সাঈদ এস্কান্দারের মরদেহ নেয়া হয় গুলশান আজাদ মসজিদে। বাদে আসর সেখানে তৃতীয় জানাজায় রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেন। শেষে বনানীর সম্মিলিত সামরিক বাহিনীর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। উল্লেখ্য, ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত সাঈদ এস্কান্দার গত ২৩শে সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

সৌজন্যে মানবযমিন

 

বিশ্ব ব্যাংকের অবস্থান ‘ভুলভাবে’ উপস্থাপন

  • PDF

এখন সময় ডেস্ক : পদ্মা সেতু প্রকল্পের অর্থায়ন নিয়ে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তারা বিশ্ব ব্যাংকের অবস্থান ‘ভুলভাবে’ উপস্থাপন করছেন বলে অভিযোগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

একই সাথে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে মঙ্গলবার একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে এ প্রকল্পের প্রধান ঋণদাতা সংস্থাটি।

বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘পদ্মা সেতু প্রকল্পে বাংলাদেশ সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে বিশ্ব ব্যাংকের অবস্থান ‘ভুলভাবে’ উপস্থাপন করা হয়েছে।’

এজন্য প্রতিষ্ঠানটি নিন্মোক্ত বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা দেয়ার প্রয়োজন মনে করছে-

বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পে জড়িত সরকারি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুর্নীতির বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ কয়েক দফা বাংলাদেশ সরকারকে দিয়েছে। কিন্তু সরকার তাতে সাড়া না পেয়েই গত ২৯ জুন সংস্থাটি ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি বাতিল করে।

পরে চারটি শর্ত মেনে সরকার পুনঃঅর্থায়নের অনুরোধ জানালে গত ২০ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পে ফেরার বিষয়ে রাজি হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ সরকার বিশ্ব ব্যাংকের চারটি শর্ত সন্তোষজনকভাবে পূরণ করায় এবং ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সম্মত হওয়ায় পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পে নতুন করে যোগ দিচ্ছে।’

বিশ্ব ব্যাংকের এই শর্তগুলো ছিল-

১. এ প্রকল্পে দুর্নীতির সাথে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন সব সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যক্তিকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ছুটিতে পাঠাতে হবে।

২. দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করে এ দুর্নীতির তদন্ত করতে হবে।

৩. এই তদন্তের সার্বিক তথ্য আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি প্যানেলকে পাঠাতে হবে, যাতে তারা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে বিশ্ব ব্যাংক এবং অন্য ঋণ দাতাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারে। এবং

৪. সেতু নির্মাণ পরিকল্পনা নতুন করে সাজাতে হবে, যাতে বিশ্ব ব্যাংক ও অপর ঋণ দাতারা প্রকল্পের ক্রয় কর্মকাণ্ড আরো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের সুযোগ পায়।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশে দুর্নীতির বিষয়ে অবগত আছে। বিশেষ করে পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে। বাংলাদেশ সরকারের অবস্থানের প্রেক্ষাপটে বিশ্ব ব্যাংক ফের অর্থায়নে সম্মত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে দুর্নীতির পদক্ষেপ বাস্তবায়নের পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্ব ব্যাংক।’

বাংলাদেশের জনগণ ‘পরিচ্ছন্ন’ (ক্লিন ব্রিজ) সেতু প্রত্যাশা করে। যদি আমরা সেটির পথে এগিয়ে যেতে চাই। এজন্য প্রকল্প নিয়ে সরকারের কাছে বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত দাবি করা হয়েছে।’- বিবৃতিতে বিশ্ব ব্যাংক এসবও যোগ করেছে।

বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পদ্মা সেতু তৈরিতে গত বছরের প্রথমার্ধে বিশ্ব ব্যাংক, এডিবি, আইডিবি ও জাইকার সাথে ঋণচুক্তি করে সরকার। ২৯১ কোটি ডলারে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ দ্বিতল রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের নকশা হয়।

কিন্তু প্রকল্পের কাজ তদারকির জন্য প্রাথমিক যোগ্যতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কানাডার এসএনসি লাভালিনের বিরুদ্ধে ওই দেশের পুলিশ দুর্নীতির অভিযোগ তুললে বিশ্ব ব্যাংক তা গুরুত্বের সাথে নেয়ার কথা জানিয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বরে ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি স্থগিত করে।

এরপর ঋণের অর্থ পেতে কয়েকটি শর্ত দেয় সংস্থাটি, যা পূরণ হয়নি জানিয়ে ঋণচুক্তি বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় তারা। ফলে এডিবির ৬১ কোটি ৫০ লাখ, জাইকার ৪০ কোটি এবং আইডিবি ১৪ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতিও আটকে যায়।

 

বিশ্ব ব্যাংকের অবস্থান ‘ভুলভাবে’ উপস্থাপন

  • PDF

এখন সময় ডেস্ক : পদ্মা সেতু প্রকল্পের অর্থায়ন নিয়ে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তারা বিশ্ব ব্যাংকের অবস্থান ‘ভুলভাবে’ উপস্থাপন করছেন বলে অভিযোগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

একই সাথে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে মঙ্গলবার একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে এ প্রকল্পের প্রধান ঋণদাতা সংস্থাটি।

বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘পদ্মা সেতু প্রকল্পে বাংলাদেশ সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে বিশ্ব ব্যাংকের অবস্থান ‘ভুলভাবে’ উপস্থাপন করা হয়েছে।’

এজন্য প্রতিষ্ঠানটি নিন্মোক্ত বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা দেয়ার প্রয়োজন মনে করছে-

বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পে জড়িত সরকারি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুর্নীতির বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ কয়েক দফা বাংলাদেশ সরকারকে দিয়েছে। কিন্তু সরকার তাতে সাড়া না পেয়েই গত ২৯ জুন সংস্থাটি ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি বাতিল করে।

পরে চারটি শর্ত মেনে সরকার পুনঃঅর্থায়নের অনুরোধ জানালে গত ২০ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পে ফেরার বিষয়ে রাজি হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ সরকার বিশ্ব ব্যাংকের চারটি শর্ত সন্তোষজনকভাবে পূরণ করায় এবং ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সম্মত হওয়ায় পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পে নতুন করে যোগ দিচ্ছে।’

বিশ্ব ব্যাংকের এই শর্তগুলো ছিল-

১. এ প্রকল্পে দুর্নীতির সাথে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন সব সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যক্তিকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ছুটিতে পাঠাতে হবে।

২. দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করে এ দুর্নীতির তদন্ত করতে হবে।

৩. এই তদন্তের সার্বিক তথ্য আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি প্যানেলকে পাঠাতে হবে, যাতে তারা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে বিশ্ব ব্যাংক এবং অন্য ঋণ দাতাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারে। এবং

৪. সেতু নির্মাণ পরিকল্পনা নতুন করে সাজাতে হবে, যাতে বিশ্ব ব্যাংক ও অপর ঋণ দাতারা প্রকল্পের ক্রয় কর্মকাণ্ড আরো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের সুযোগ পায়।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশে দুর্নীতির বিষয়ে অবগত আছে। বিশেষ করে পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে। বাংলাদেশ সরকারের অবস্থানের প্রেক্ষাপটে বিশ্ব ব্যাংক ফের অর্থায়নে সম্মত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে দুর্নীতির পদক্ষেপ বাস্তবায়নের পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্ব ব্যাংক।’

বাংলাদেশের জনগণ ‘পরিচ্ছন্ন’ (ক্লিন ব্রিজ) সেতু প্রত্যাশা করে। যদি আমরা সেটির পথে এগিয়ে যেতে চাই। এজন্য প্রকল্প নিয়ে সরকারের কাছে বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত দাবি করা হয়েছে।’- বিবৃতিতে বিশ্ব ব্যাংক এসবও যোগ করেছে।

বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পদ্মা সেতু তৈরিতে গত বছরের প্রথমার্ধে বিশ্ব ব্যাংক, এডিবি, আইডিবি ও জাইকার সাথে ঋণচুক্তি করে সরকার। ২৯১ কোটি ডলারে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ দ্বিতল রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের নকশা হয়।

কিন্তু প্রকল্পের কাজ তদারকির জন্য প্রাথমিক যোগ্যতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কানাডার এসএনসি লাভালিনের বিরুদ্ধে ওই দেশের পুলিশ দুর্নীতির অভিযোগ তুললে বিশ্ব ব্যাংক তা গুরুত্বের সাথে নেয়ার কথা জানিয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বরে ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি স্থগিত করে।

এরপর ঋণের অর্থ পেতে কয়েকটি শর্ত দেয় সংস্থাটি, যা পূরণ হয়নি জানিয়ে ঋণচুক্তি বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় তারা। ফলে এডিবির ৬১ কোটি ৫০ লাখ, জাইকার ৪০ কোটি এবং আইডিবি ১৪ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতিও আটকে যায়।

 

নিউইয়র্কে বাঙলা সাংবাদিকতা

  • PDF

মোহাম্মদ বেলাল হোসেন,

স্পেশাল করেসপান্ডেন্ট সাংবাদিকতা একটা কঠিন পেশা। কঠিন এ জন্যে যে এখানে আপন মনের মাধুরী মেশানো সম্ভব না। শিল্পী তার শিল্পকর্মে যেটা পারেন সাংবাদিক তা পারেন না। সাংবাদিককে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখী হতে হয়। কড়া কড়া আইন, বিধিনিষেধ আর সাংবাদিকতার নীতিমালা মেনে নিয়ে পাঠকের কাছে প্রকৃত তথ্য পৌঁছে দেয়ার কাজটি তাকে প্রতিদিন করতে হয়। সাংবাদিকের ওপর মালিক পক্ষের চাপ থাকে অনেক।

 

দক্ষিণ এশিয়ান অভিবাসি কমিউনিতে ড্রামের কার্যক্রমের ১০ বছর

  • PDF

মোনামী মৌলিক

আমাদের কর্মকান্ড : ঝুঁকি নেয়া

বাস্তবতায় আসুন, অসম্ভবকে সম্ভব করুন!

-আরনেস্তো চে গুয়েভারা

এগারো সেপ্টম্বর পরবর্তী পরিস্থিতিতে বিভিন্ন অবিবাসির সাংগাঠনিক প্রয়াসকে অনেকেই সিভিল রাইট আন্দোলন মনে করেছেন। ২০০২ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ড্রামের ক্যাম্পেইন ছিল মূলত আত্মরক্ষার সংগ্রাম। এগুলি ছির স্পেশাল রেজিষ্ট্রেশন, ক্লিয়ার এ্যাক্ট ও ইরাক যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য প্রচারণা।

 

আশকার ইবনে শাইখ ঐতিহ্যের অগ্রপথিক

  • PDF

ড. মুহাম্মদ আবুল কাসেম

পূর্ব প্রকাশিতের পর

এ তোমার লজ্জা, তোমার অপমান।১৯

দেশপ্রেম, আন্দোলনের উত্তাল প্রবাহেও নাট্যকার সৃষ্টি করেছেন নতর্কী আজিজন এবং সুবেদার শামসুদ্দিনের প্রেম কাহিনী। তাঁরা চেয়েছিল ভালবাসার ঘর বাঁধতে। কিন্তু দেশ প্রেম, অত্যাচারিত বঞ্চিত জনতার ডাকে নেমে আসে ময়দানে। আজীজন সিপাহী জনতাকে ঐক্যবদ্ধ করে। প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল ইংরেজ বাহিনীর বিরুদ্ধে। দেশ মাতৃকার প্রেমে সে বিসর্জন দিয়েছে নিজের প্রাণ।

 

দাদির কোলে শুয়েই বৈচিত্র্যময় আকাশ দেখেছি

  • PDF

আল মাহমুদ

‘যেভাবে বেড়ে উঠি’তে আমার শৈশবের একটা দীর্ঘ বৃত্তান্ত তুলে ধরেছি। আবিদ আজম এসে শৈশবের খুঁটিনাটি জানতে চাওয়ায় আমার ব্যাপারে সদা আগ্রহী এই তরুণকে বলেই ফেললামÑ যাও আমার শৈশব নিয়ে পুরো একটা বই লিখব। লেখালেখি ও বয়সের পরিণত এই অবস্থায় জানি না কথাটি রাখতে পারব কিনা! আমার ধারণা, আমার জšে§র সালটা আরও দু’চার বছর আগেও হতে পারে, তারিখটা ঠিক আছে। এডুকেশনাল পেপারে এই সালটা দেয়া।

 

দোবোক

  • PDF

ফকীর সেলিম

পূর্ব প্রকাশিতের পর

গাড়ীতে টান দেয় ফারুক। প্রশ্রাবের বেগ লেগেছে। ওয়েষ্টসাইড হাইওয়েতে পিয়ার ৮০-অর্থাৎ নিউজার্সির ফেরীঘাটের বাথরুমে ঢুকে প্রশ্রাব সেরে কিছু মুখে দিয়ে তারপর আবার কাজ শুরু করবে এই উদ্দেশ্য। সারা শিফটের ইনকামের অলরেডী এইটি পারসেন্ট হয়ে গেছে তার। তাই অতো তাড়াহুড়া নেই। তাছাড়া অন্য ক্যাবীদের মত সে হন্য হয়ে কাজ করেওনা। কারো সাথে পাল্লা না দিয়ে আস্তে ধীরে কাজ করে। অনেক ক্যাবীতো প্রশ্রাব করার জন্য গাড়ী থেকেই নামে না।

 

কবিতা

  • PDF

ফকীর সেলিম’র ছড়া

হ্যালো ঢাকা

ক্যালা?

ঢাকার ছহর, কি অপরাধ বিভক্তির এই খেলা?

 

ক্যাঠায় দিছে বুদ্ধি এমুন, আতকা করার ভাগ?

জ্বলতাছে এই কইলজা আমার ফুইস্যা উঠে রাগ!

 

ঢাকা আমার নাম পরিচয়, ঢাকা আমার জান

ঢাকারে কে ভাংবো অহন কইরা খানে খান?

 

কবিতা

  • PDF

মা

দলিলুর রহমান

সেই গ্রামে

কলমাই নদীর ঢেউয়ে

সকালের সূর্য হাসে

আমাকে তুমি কোলে নিয়ে জলের সাথে মিশে

সেই এক ভোরবেলা জীবনের গোড়ায় বসে

তুমি হেসেছ

 

নীরব এক কর্মীর কথা

  • PDF

জবাদুল আখতার

নদীর ¯্রােতের মতই ‘এখন সময়ের’ গতি। ভাবতে অবাগ লাগে এই তো সেদিন... কিন্তু না এক যুগ হয়ে গেছে মানে ‘বার’ বছর। আমি অবশ্য শুরু থেকে ছিলাম না। তবে বলা চলে ‘এখন সময়’ ঢাকা অফিসে শুরু থেকে ছিলাম। সাংবাদিক মশিউর রহমান রুবেলের মাধ্যমে আমি ‘এখন সময়’ অফিসে আসি এবং রাহাত শামস নামে একজন ‘এখন সময়ে’র নির্ভীক কর্মী- চুল, দাড়ি, গোঁফে একেবারে দেবদাসের মতই আকৃতি।

 

“বিশ্বনেতা জিয়া” - প্রেসিডেন্ট জিমি কার্র্টার

  • PDF

এম এস আলম

কেবল মুখে মুখে  ‘বড় নেতা‘ দাবি করা সহজ, যদি অনুগত স্তাবকরা থাকে। তবে যারা সত্যিকারের কাজের মানুষ, তারা কাজ করে দেখায়। রসুলল্লাহ (সঃ) শিশুটিকে মিষ্টি খেতে বারণ করার আগে নিজে মিষ্টি খাওয়া ছেড়েছিলেন। মেজর জিয়া থেকে রাষ্ট্রপতি জিয়া- এই সময়ে তিনি নিজে একটি পরাধীন দেশের স¡াধীনতা ঘোষণা করে যুদ্ধের নেতৃত্ব দিলেন, সশস্ত্র যুদ্ধ করলেন, তার ডাকে দেশের আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করে।

 

মুহাররম ও আশুরা : করণীয় ও বর্জনীয়

  • PDF

মাওলানা মুহাম্মদ ইসমাইল

পবিত্র কোরআনে ও হাদীস শরীফে এ মাস সম্পর্কে যা এসেছে তাহল, এটা অত্যন্ত মুবারক ও মৌসুমী ইবাদতের মাস। কোরআনের ভাষায় আরবাআতুন হুরুম অর্থাৎ চার সম্মানিত মাসের অন্যতম এই মাস। এ মাসে রোজা রাখার প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদীসে রসূল (সা.) বলেন রমজানের পর আল্লাহর মাস মুহররমের মাস হলো সর্বশ্রেষ্ঠ। -সহীহ মুসলিম ২/৩৬৮, জামে তিরমিযী ১/১৫৭।

 

গড ইজ ডেড

  • PDF

আশিক ইসলাম

গড ইজ ডেড । ঈশ্বর  মারা গেছেন। আমরা তার জন্য কি দোয়া করবো ? তার আত্মার শান্তির জন্য কার কাছে করবো প্রার্থনা ? যে বিশ্বে ঈশ্বর বলে কোন জিনিস নাই সে বিশ্বে কি মানুষ  বেচে থাকতে পারে ? নাকি সম্ভব ? বেচে থাকলে, কি ভাবে তারা বাচে? আজ থেকে প্রায় ১৩০ বছর আগে, এমনই নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে, ‘উইল টু পাওয়ার’ এবং ‘সুপারম্যান’ তত্তে¦র জন্ম দিয়েছিলেন জার্মান দার্শনিক ফ্রেডরিক উইলহেলম নীথসে 

 
You are here: আর্কাইভ বিশেষ সংখ্যা