
বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা থেকে : রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত অসাধু পরিচালকদের সহযোগিতায় রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংকগুলো থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগের পরও এসব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে ফের স্থান পেতে যাচ্ছেন আলোচিত-সমালোচিত ওই সব পরিচালকরাই। পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে আবারও রাজনৈতিক বিবেচনাই গুরুত্ব পেতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন সয়ং অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মাল মুহিতও।
এদিকে রাজনৈতিক এ নিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশেরে শীর্ষ অর্থনীতিবিদরা। তারা বলেছেন, “রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। রাজনৈতিক নিয়োগের কারনে ফের অযোগ্য লোক নিয়োগ পেলে এগুলোতে দুর্নীতি আরও বাড়বে।
২০০৯ সালের এপ্রিলে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে পেশাজীবী শ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব করার কথা বলে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এতে অর্থনীতিবিদ, চার্টার্ড অ্যাকাউনটেন্ট, আর্থিক বাজার, মুদ্রানীতি ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তি, সাবেক ব্যাংকার,








