নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন

ঢাকা অফিস : সেলিনা হায়াত আইভী ও শামীম ওসমানকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্বিতীয়বারের মতো বৈঠক করলেও কোনো সমঝোতা হয়নি।দুজনই নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে লড়তে অনড় মনোভাব দেখালেও কি এমন জড়তা প্রধানমন্ত্রীকে আরষ্ট করল যে তিনি দোয়া দিলেন কিন্তু নির্দেশ দিতে পারলেন না। গত সোমবার গণভবনে আইভী ও শামীমের সঙ্গে আলাদা কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর তিনি দুজনকে একসঙ্গে ডেকে কথা বলেন। এ সময় দলীয় নেতা ওবায়দুল কাদের, মাহবুব উল আলম হানিফ ও জাহাঙ্গীর কবির নানক উপস্থিত ছিলেন। আওয়ামী লীগের নেতারা জানান, আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত সমঝোতার জন্য তাঁরা অপেক্ষা করবেন। নির্বাচনী লড়াইয়ে দুজনেই থেকে গেলে দলীয়ভাবে কাউকে সমর্থন দেওয়া হবে না। কোনো কেন্দ্রীয় নেতা কারও পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেবেন না।
দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ প্রথম আলোকে বলেন, ‘দুই প্রার্থী নিজেরা সমঝোতায় না পৌঁছালে আমাদের পক্ষে কাউকে সমর্থন দেওয়া সম্ভব হবে না। নির্বাচনী আইনেও এ ব্যাপারে বিধিনিষেধ আছে।’
শামীম ওসমান গতকাল দুপুরে গণভবনে এসে পৌঁছান। তিনি আবেগতাড়িত হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দি¦তা করার কাতর মিনতি জানান প্রধানমন্ত্রীর কাছে। সন্ধ্যায় গণভবনে আসেন আইভী। প্রধানমন্ত্রী দুই প্রার্থীর সঙ্গেই আলাদা কথা বলেন। তিনি উভয়কেই মেয়র পদটি ছাড় দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে বলেন। এটা করা হলে দলের পক্ষ থেকে যথাযোগ্য মূল্যায়ন করার কথাও বলেন তিনি। কিন্তু কোনো প্রার্থী মেয়র পদে নির্বাচন করা থেকে বিরত থাকতে সম্মত হননি। তাঁরা জয়লাভের ব্যাপারে শতভাগ আত্মবিশ্বাসের কথা জানান প্রধানমন্ত্রীকে। পরে দুই প্রার্থীকে ডেকে প্রধানমন্ত্রী নিজেরা সমঝোতায় পৌঁছার পরামর্শ দিয়ে বলেন, প্রার্থী একজন হলে জয়লাভ সহজ হবে। তা না হলে জয় কঠিন হবে। একই সঙ্গে ভোট ও কর্মী বিভক্ত হবে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে প্রথমে আইভী ও পরে শামীম ওসমান গণভবন ত্যাগ করেন।
এ ব্যাপারে দুই প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা কিছু বলতে সম্মত হননি।
এর আগে গত রোববার আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা শামীম ও আইভীর সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও একবার তাঁদের ডেকে কথা বলেন।









