ঢাকা অফিস: নন্দিত লেখক হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর চল্লিশতম দিবসে মঙ্গলবার নুহাশপল্লীর কর্মচারী ও পরিবার যৌথভাবে আয়োজন করে পবিত্র কোরআন খতম, মিলাদ, দোয়া ও এতিম শিশুদের খাবার পরিবেশনের। নুহাশ পল্লীতে হুমায়ূনের কবর জিয়ারত করেন শাওন। পরে তিনি নিজ হাতে এতিমদের মধ্যে খাবার পরিবেশ করেন। বেলা ১১টা থেকে পবিত্র কোরআনের ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে গাজীপুরের পিরুজালী গ্রামের হুমায়ূনতীর্থ নুহাশপল্লী।
শাওন বলেন, ‘হুমায়ন আহমেদ নিজ হাতে বেড়ে খাওয়াতেন। সেটা আমি গভীরভাবে মিস করছি। এজন্য নিজ হাতে অন্যদের বেড়ে খাওয়াচ্ছি।’ পরিবেশিত খাবারের মধ্যে ছিল ভাত, গরুর মাংস ও মাসকলাইয়ের ডাল।
শাওন বলেন, গত ৪০ দিনে আমার একটা বিশাল পরিবর্তন এসেছে। সেটা হলো যখন আমি তাকে মনে করে কাঁদি তখন আমার সাড়ে ৫ বছরের ছেলে নিষাদ আমাকে বলে আম্মু তুমি কি আব্বুকে মিস করছো। যদি আব্বুকে মিস করো তবে আমাকে আদর করো।
এর আগে নুহাশ পল্লীর ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম বুলবুল জানান, পিরুজালীসহ আশপাশের ৬-৭টি হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীরা দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নিচ্ছেন।
বরেণ্য লেখক হুমায়ূন আহমেদের হাতেগড়া নুহাশপল্লীর বৃষ্টি বিলাসের বারান্দায় শতাধিক হাফেজ বেলা ১১টা থেকে কোরআন তেলাওয়াত শুরু করেছেন। পিরুজালী মাহমুদিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা আরিফুর রহমান কয়েকবার পবিত্র কোরআন খতম হয়েছে।
বাদ জোহর মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে হুমায়ূন আহমেদের কবর জিয়ারত করা হয়। শাওনসহ পরিবারের সদস্য ও নুহাশের কর্মচারীরা এতে অংশ নেন।
সোমবার দিনগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে জনপ্রিয় লেখক প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, তার দুই সন্তান নিষাদ ও নিনিত এবং মা সংসদ সদস্য তহুরা আলী নুহাশে আসেন।









