
ঢাকা অফিস : এ কে এম জহির আহমেদের শূন্যস্থানে সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেনকে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে আইন মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন জহির আহমেদ। এর পরপরই আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ জানান, দুই-এক দিনের মধ্যে নতুন বিচারক নিয়োগ দেওয়া হবে।
দুপুরের পর বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের নাম প্রস্তাব করে আইন মন্ত্রণালয় তা সুপ্রিম কোর্টে পাঠায়।
প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন তাতে সম্মতি দিয়ে ওই প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে ফেরত পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের নিবন্ধক মো. শামসুল ইসলাম।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেতে যাওয়া বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ২০১০ সালে হাই কোর্টে যোগ দেন।
৫৩ বছর বয়সি এই বিচারক ১৯৮৬ সালে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। হাই কোর্টে আইনজীবী হিসেবে তিনি কাজ শুরু করেন ১৯৯১ সালে।
সাবেক জেলা জজ জহির আহমেদ ২০১০ সালের ২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
তার পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ বলেন, “তিনি শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে পদত্যাগ করেছেন। তার পায়ে সমস্যা রয়েছে। চিকিৎসকরা তাকে ওঠানামা না করাসহ বিশ্রামে থাকতে বলেছেন।”
বিচারপতি মো. নিজামুল হক নেতৃত্বাধীন প্রথম ট্রাইব্যুনালের বিচারকের দায়িত্ব পালন করছিলেন জহির আহমেদ। তিন সদস্যের ওই ট্রাইব্যুনালের অন্য বিচারক হলেন বিচারপতি আনোয়ারুল হক।
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে ২০১০ সালের ২৫ মার্চ গঠিত হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তখন বিচারক ছিলেন তিনজন।
বিচার ত্বরান্বিত করতে পরে আরো তিনজনকে নিয়োগ দিয়ে দুটি ট্রাইব্যুনাল করা হয়। বিচারপতি ফজলে কবীর প্রথম ট্রাইব্যুনালে থাকলেও তখন তাকে দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনালের প্রধান করা হয়। তার শূন্যস্থানে বিচারপতি নিজামুল হক ও জহির আহমেদের সঙ্গী হন বিচারপতি আনোয়ারুল হক। সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম



