পপি চৌধুরী
পর্ব-৪
পলাশ যেদিন সৎমা এবং বাবার ওপর রাগ করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছিল, ভেবেছিলÑ যেদিকে দু’চোখ যায় চলে যাবে। পথে নেমে বুঝতে পারলো, কথাটা ভাবা যত সহজ বাস্তবে বড় কঠিন!
সারাদিন পথে পথে ঘুরে সন্ধ্যার দিকে গ্রামের শেষ মাথায় দত্তদের ছাড়াভিটায় এসে পৌঁছায়। একবার ভাবে, মামাবাড়ি চলে যাবে। পরক্ষণে মনে হয়, মামারা বড় স্বার্থপর! মা-মারা যাওয়ার পর প্রথম দিকে খোঁজখবর নিলেও এখন আর কোন খোঁজখবর নেয় না। তাদের ভয়, পলাশ যদি তার মায়ের সম্পত্তি দাবী করে বসে! কথাটা মনে হতেই মামাবাড়ি যাওয়ার চিন্তা বাদ দেয় পলাশ। কিন্তু কোথায় যাবে, কিছুই ঠিক করতে পারে না। অভিমানে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পূর্বে টাকা পয়সার কথাটা একবারও ভাবে নি! এদিকে পকেট গড়ের মাঠ। সারাদিন চাপকলের পানি ছাড়া কিছুই পড়ে নি পেটে, দাঁড়িয়ে থাকার শক্তিটুকুও যেন নেই!
ক্লান্ত অবসন্ন শরীরে ছাড়াভিটার পুরনো একটি আমগাছের নীচে বসে পড়ে পলাশ। ভাবতে থাকে কোথায় যাবে, কার কাছে আশ্রয় নেবে! ভাবতে ভাবতে ক্রমে রাত গভীর হয়, কিন্তু কোন কূল কিনারা খুঁজে পায় না। দূরে কোথাও শিয়াল ডেকে ওঠে। ভয়ে তার গা ছমছম করে। হঠাৎ তার মনে পড়ে, এটা ছাড়াভিটা! দত্তরা ভারত চলে যাওয়ার সময় এসব চেয়ারম্যান কিনে নিয়েছে! তবে গাঁয়ের লোকেরা বলে, জাল দলিল করে চেয়ারম্যান আত্মসাৎ করেছে! বলার যথেষ্ঠ কারণও আছে। রাজন দত্ত ছিলেন এলাকার সবচেয়ে বিত্তশালী ব্যক্তি। অনেক জায়গা জমি ছিল তাঁর। আত্মীয় স্বজন অনেক আগে ভারতে চলে গেলেও তিনি যান নি। হঠাৎ একদিন সেই রাজন দত্তের লাশ পাওয়া গেল এ ভিটায়। কিছুদিন পর পাওয়া গেল, তাঁর বড় ছেলের লাশ! তারপর একদিন রাতের অন্ধকারে দত্ত পরিবার কোথায় যে চলে গেল, তার হদিস এখনও গ্রামের লোক জানে না। কিছুদিন পর চেয়ারম্যান লতিফ মন্ডল ঘোষণা দিলÑ এসব জায়গা জমি দত্ত পরিবার তার কাছে বিক্রি করে গেছে! এরপর থেকে দত্তদের জায়গা জমি সব লতিফ চেয়ারম্যানের দখলে, সাথে এ ছাড়াভিটাও। দিনের বেলা কখনও কখনও গরু ছাগল চরাতে এলেও রাতের বেলা ভুলেও কেউ এ পথ মাড়ায় না। মাঝে মাঝেই এখানে চেনা অচেনা বিভিন্ন জনের গলাকাটা লাশ পাওয়া যায়! পুলিশ আসে, দারোগা আসে। কয়েক দিন জোর তদন্ত চলে, গ্রাম তোলপাড় হয়, তারপর আবার সব ঠান্ডা হয়ে যায়!
হঠাৎ করে এসব কথা মনে পড়ে যাওয়ায় পলাশের খুব ভয় করতে থাকে, হাত পা অবশ হয়ে আসে। অসহায়ভাবে কাঁদতে থাকে পলাশ।
ক্রমে রাত গভীর হয়, সাথে বাড়তে থাকে শেয়ালের ডাক। এক সময় মনে হয় ঝাঁক বেঁধে শেয়াল এদিকেই আসছে! ভয়ে গাছ বেয়ে উপরে ওঠে পলাশ। আমগাছের সাথে ঠেস দিয়ে একটা মোটা ডালে বসে থাকে। ভূতের ভয় এসে বাসা বাঁধে মনে। ভাবে, এ ভিটায় কত মানুষ খুন হয়েছে, তাদের আত্মারা এসে যদি তাকে আক্রমণ করে! আর ভাবতে পারে না সে। ভয়ে দু’চোখ বন্ধ করে মনে মনে দোয়া দরুদ পড়তে থাকে।
চোখ বন্ধ করে থাকতে থাকতে এক সময় গাছের সাথে ঠেস দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে পলাশ। কতক্ষণ ঘুমিয়েছে জানে না। হঠাৎ এক সময় তার ঘুম ভেঙ্গে যায়। শুনতে পায় কে যেন করুণ মিনতি করে বলছে,
“আমারে ছাইড়া দ্যান আপনেরা, আমার জমির দরকার নাই। আমারে জানে মাইরেন না। আমি চেয়ারম্যান সাবেরে সব লেইখা দেবো... শুধু আমার জানডা ভিক্ষা দ্যান... আপনেগো দুইডা পায়ে পড়ি...”
এতক্ষণে পথে আইছো চান্দু, এতদিন কই আছিলা। চেয়ারম্যান সাবের কাছ থাইকা ট্যাকা ধার নিছো আর জমিন দিবা না, অহন বোঝো মজা!
আমি মাত্তর কুড়ি হাজার ট্যাকা নিছিলাম, আমার জমিনের দাম আড়াই লক্ষ ট্যাকা। আপনেরা তো সবই জানেন, মুকুল ব্যাপারী তো ঐ ট্যাকা দিয়াই জমিনডা কিনতে চাইছিলো। পাকা সড়কের ধারে অত ভালা জমিন! আমার জমিন চাই না... আমি ঐটা এমনেই চেয়ারম্যান সাবেরে লেইখা দেবো, আপনেরা আমারে জানে মাইরেন না...
প্রতিত্তুরে শোনা যায় খিক্ খিক্ হাসির শব্দ।
চারিদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। প্রথমে কিছু বুঝতে পারে না পলাশ। ধীরে ধীরে চোখে অন্ধকার সয়ে এলে শব্দ অনুসরণ করে নীচে তাকায়। হাত পা হিম হয়ে আসে তার। দেখতে পায়, তাদের পাড়ার সমেদ কাকাকে পিঠমোড়া দিয়ে হাত বেঁধে রেখেছে দুজন মানুষ। ক্রমে মানুষ দুজনকেও চিনতে পারে। একজন রহিম শেখের ছেলে কালু, আরেকজন চেয়ারম্যানের জ্ঞাতি ভাই আক্কাস মন্ডল!
আপনেরা আমার জানডা ভিক্ষা দ্যান...! বলে সমেদ কাকা হঠাৎ আক্কাস মন্ডলের দু’পা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে।
আক্কাস মন্ডল কালুর দিকে তাকিয়ে বলে, ঐ কালু হ্যার জানডা ভিক্ষা দে...। কথাটা বলে পুনরায় খিক্ খিক্ করে হাসে আক্কাস।
অমনি কালু দু’হাত উঁচু করে রাম দা দিয়ে উবু হয়ে থাকা সমেদ মৃধার ঘাড়ের ওপর কোপ মারে।
আল্লা গো... ! বলে একটা আর্ত চিৎকার দিয়ে এক পাশে কাত হয়ে পড়ে যায় সমেদ মৃধা। কোরবানীর গরু কাটার ন্যায় রক্তে ভেসে যায় চারপাশ। রক্তের বন্যার মধ্যে তড়পাতে থাকে তার কাটা ধড়টা। দৃশ্যটা দেখে গাছের ওপর বসে থর থর করে কাঁপতে থাকে পলাশ। কাঁপতে কাঁপতে একসময় গাছ থেকে নীচে রক্তের মধ্যে পড়ে যায়।
ভূত! বলে চিৎকার করে কালুকে জড়িয়ে ধরে আক্কাস। পলাশ রক্তের মধ্যে পড়ে আতংকিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে ওদের দিকে।
ভূতটা তখনও কালু কিংবা আক্কাসকে আক্রমণ করছে না দেখে ভয় কমে আসে ওদের। কালুকে ছেড়ে দিয়ে ধীরে ধীরে আক্কাস এগিয়ে আসে পলাশের দিকে। ভালো করে তাকিয়ে দেখে বলে, কালু এ দেহি মানুষ!
কালু এগিয়ে এসে পলাশের আপাদমস্তক ভালো করে নিরীক্ষণ করে বলে, এ তুই ক্যাডা?
আ... আ... আমি... প... পলাশ...।
তোতলাতে তোতলাতে বলে পলাশ।
এহানে আইছোস ক্যালা?
আক্কাস কালুকে ধমক দিয়ে বলে, অত কথায় কাম কী, আজ জোড়া পাঠা বলী দিমু। দাওডা দে কালু।
শুনে ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে দাঁতে দাঁতে বাড়ি খায় পলাশ।
কালু বলে, আহা থামো তো, আগে শুনতে দ্যাও ক্যান আইছে।
অত শোননের কাম নাই, স্বাক্ষী রাখন যাবে না। তুই দাওডা দে!
এটটু সবুর করো। আগে বুইঝা লই, অর লগে আর কেউ আছে নি। ওই, তর বাপ ক্যাডা?
মা... মা... মাহিন কাজী।
দক্ষিণ পাড়ার?
হ্যাঁ।
তুই বুঝি তার প্রথম পক্ষের পোলা? তর না মা মইরা গ্যাছে?
হ্যাঁ।
তর বাপ তো সাঁনঝের বেলা আমাগো বাড়িতে তরে খুঁজবার আইছিলো, তা তুই বাড়ি ছাইড়া এইহানে গাছের উপরে কী করতে ছিলি?
আমি রাগ কইরা বাড়ি থাইকা পালাইয়া আসছি?
ক্যালা?
সৎমা সারাক্ষণ গালমন্দ করে।
বুঝছি। তা তুই অহন যাইবি কই?
কালুর প্রশ্নে ফুপিয়ে কেঁদে ওঠে পলাশ। কাঁদতে কাঁদতে বলে,
আমার যাওনের কোন জায়গা নাই!
পলাশের কথা শুনে একটু আগে একজন জলজ্যান্ত মানুষ জবাই করা কসাইদের হৃদয়ে হঠাৎ করে মমতার উদ্্েরক হয়। কালু আক্কাসকে টেনে এক পাশে নিয়ে ফিসফিস করে বলে, পোলাডার মা নাই, সৎমার অত্যাচারে ঘর ছাড়ছে! অরে মাইরা কী লাভ?
হ, অরে বাঁচাইয়া রাহি আর একদিন সবাইরে কইয়া দিক সব কথা, শ্যাষে পুলিশ আইসা আমগো কোমরে দড়ি পরাক!
আমি কই কী, পোলাডার যাওনের কোন জায়গা নাই। অরে আমাগো দলে ভিড়াইয়া লই। আমাগো দলে তো মানুষ দরকার। টেরনিং (ট্রেনিং) টুরনিং দিয়া নিলে একদিন ও-ই দলের হইয়া কাম করতে পারবো।
অর বাপে জানলে আমাগো আস্ত রাখবো?
দূর! অরে কী গ্রামে রাহুম নাকি? শহরে পাডাইয়া দিমু, তাছাড়া পোলাডার কোন পিছটান নাই।
আগে লতি ভাইরে (লতিফ চেয়ারম্যান) ফোন দে। হে কী কয় শুইনা তারপর ডিসিশন।
কালু প্যান্টের পকেট থেকে মোবাইল বের করে আক্কাসের হাতে দিয়ে বলে, নাও তুমি কতা কও।
আক্কাস পলাশের থেকে একটু দূরে গিয়ে খটাখট মোবাইলের বোতাম টিপে তখনই ফোন করে চেয়ারম্যানকে। দূর থেকে তার কথা কিছুই শুনতে পাওয়া যায় না, কেবল অনবরত হাত, মুখ আর মাথা নাড়াতে দেখা যায়।
কালু হাত বাড়িয়ে রক্তের মধ্য থেকে টেনে তোলে পলাশকে। কথা শেষ করে ফিরে আসে আক্কাস। কালুর হাতে মোবাইল ফেরত দিতে দিতে বলে, লতি ভাই অরে মিরপুরের বাসায় নিয়া যাইতে কইছে।
এই রক্ত মাখা শইলে অরে গাড়িতে উঠামু কেমনে, তাছাড়া পথেঘাটে কেউ দেইখা ফালাইলে!
ল অরে দত্ত গো গাতায় (পুকুরে) চুবাইয়া আনি। বলে আক্কাস।
হ, জামা কাপড় থাইকা রক্ত ধুইয়া যাইবো নে।
মাঘ মাস। শীতে পলাশ এমানেিতই কাঁপতে থাকে, তার ওপর আক্কাস আর কালু ওকে ধরে দত্তদের পুকুরে নামিয়ে ডুব দেওয়ায়।
দশ বারো ডুব দিয়ে জামা কাপড়ের রক্ত ধুয়ে কাঁপতে কাঁপতে পাড়ে উঠে আসে পলাশ। কালু নিজের গায়ের জ্যাকেটটা খুলে ওর দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলে, গায়ের জামা খ্ইুলা ফালাইয়া এইটা পইরা লও। তয় প্যান্টটা তো ভিজাঅই পইরা থাকতে হইবো, প্যান্ট তো আর খুইলা দিতে পারি না।
কালুর কথা শুনে খিক্ খিক্ করে অশ্লীলভাবে হাসতে থাকে আক্কাস।
পলাশকে ইতস্তত করতে দেখে কালু পুনরায় বলে,
অসুবিদা নাই, জামার তলে আমার সোয়েটার পরা আছে। তাড়াতাড়ি তুমি গায়ের জামা খুইলা ফালাও নাইলে ঠান্ডা লাগাইয়া জ্বর বাঁধাইবা।
পলাশ জামাটা খুলে খালি গায়ে জ্যাকেটটা পরে নেয়।
এরপর ওরা পলাশকে নিয়ে মাইলখানেক হেঁটে এসে বড় রাস্তার ধারে রাখা একটা প্রাইভেট কারে উঠে বসে। ড্রাইভার গাড়ি স্টার্ট দেয়।
চলন্ত গাড়ির সিটে হেলান দিয়ে চোখ বন্ধ করে মরার মতো পড়ে থাকে পলাশ। হঠাৎ গাড়ির ভিতরে সে সমেদ চাচার রক্তের গন্ধ পায়। নাড়িভুঁড়ি যেন উল্টে আসতে চায় তার। অমনি হড়হড় করে গাড়িতে বমি করে দেয়। আক্কাস কালুকে সমানে গাল পাড়তে থাকে, আপদটাকে গাড়িতে তোলার জন্য। ড্রাইভার গাড়ির গতি বাড়িয়ে দেয়।মাঝরাতের দিকে পলাশকে নিয়ে চেয়ারম্যানের মিরপুরের বাসায় এসে পৌঁছায় ওরা। লতিফ চেয়ারম্যানের দুই বউ। বড় বউ গ্রামে থাকে। তার একটি মাত্র মেয়ে, কোন ছেলে নেই। ছোটবউ নি:সন্তান, শহরে থাকে, কখনও গ্রামে যায় না। চেয়ারম্যান বেশির ভাগ সময় শহরে ছোট বউয়ের কাছে মিরপুরের বাড়িতে থাকে।
প্রথম দেখায়ই পলাশকে পছন্দ করে ফেলে চেয়ারম্যান লতিফ মন্ডল। ফলে তার ওখানেই থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা হয়ে যায় পলাশের। তবে কোন কথা ফাঁস হলে পলাশের অবস্থাও সমেদ মৃধার মত হবে, সেকথা মনে করিয়ে দিতে ভোলে না লতিফ মন্ডল।
এসব ঘটনার পর মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিল পলাশ। দীর্ঘদিন জ্বরে ভুগে শুকিয়ে পাঠকাঠির ন্যায় হয়ে গিয়েছিল। এ সময় কিছু খেতে পারতো না সে। খেলেই বমি করে ফেলতো। সারাক্ষণ কেবল সমেদ চাচার রক্তের গন্ধ পেতো। তবে শুরু থেকেই লতিফ চেয়ারম্যান কেন যেন বেশ স্নেহের চোখে দেখতো তাকে। শহরের বড় ডাক্তার দেখিয়ে সুস্থ করে তুলেছিল। বিভিন্ন ফল, দুধ, ডিম, কচি মুরগি এসবের কোন কমতি ছিল না তার জন্য। যার ফলে মানুষটা খারাপ জেনেও বাবা-মা’র স্নেহবঞ্চিত পলাশ তার মমতার বন্ধনে জড়িয়ে পড়ে।
সুস্থ হয়ে উঠলে ধীরে ধীরে শুরু হয় তার সন্ত্রাসী হওয়ার প্রশিক্ষণ। প্রথমে ছোট ছোট কুকর্ম, ক্রমে বড় বড় কাজ করতে থাকে হয় তাকে। সেদিনের সেই ভীতু পলাশ এক সময় হয়ে ওঠে শহরের বড় সন্ত্রাসী! মানুষ খুন করতেও তার আর হাত কাঁপে না। হয়ে ওঠে লতিফ চেয়ারম্যানের ডান হাত। তার কথার ওপরে দলের কারো কথা বলার কোন সাহস হয় না। সবাই জানে, লতিফ চেয়ারম্যান তাকে ছেলের মতো ভালোবাসে ফলে পলাশ যা বলে, দলের সবাই তা মানতে বাধ্য।
এসব কথা ভাবতে ভাবতে হঠাৎ পলাশের কালুর কথা মনে পড়ে। সন্ত্রাস বড় খারাপ জিনিস! সেদিন যে কালু, আক্কাসের হাত থেকে তার জীবন বাঁচিয়েছিল, চেয়ারম্যানের নির্দেশে একদিন সেই কালুকেই পলাশ খুন করে। কথাটা মনে হতেই নিজের ওপর প্রচন্ড ঘৃণা হয় তার। অস্ফুট কন্ঠে বলে, থু! আমি একটা নরকের কীট! হাবিয়া দোযখেও জায়গা হবে না আমার!
(চলবে)







