
এখন সময় রিপোর্ট : বেশ কয়েকদিন আগ থেকেই ঈদের বিশেষ খাবার সেমাই বিক্রি শুরু হয়েছে। ঈদে বাংলাদেশীদের এ বিশেষ খাবার কিনতে নিউ ইয়র্কের গ্রোসারীগুলোতে ভীড় বাড়ছে। ঈদ উপলক্ষে চিনি, দুধ, দই, কিসমিস, বাদাম ও বিভিন্ন ধরণের মসলা বিক্রিও বেড়েছে। এছাড়াও সুগন্ধি চিনিগুড়া চাল, মাছ ও গোস্ত বিক্রি বেড়েছে। এবারের ঈদে বাজারে বাংলাদেশী ও পাকিস্তানী বেশ কয়েক প্রকার লাচ্ছা ও রেগুলার সেমাই এসেছে। তবে বাংলাদেশী সেমাইয়ের কদর বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশী সেমাইয়ের মধ্যে রয়েছে আলাউদ্দিন, ড্যানিশ, আফতাব ও স্বাদসহ ১০ টি কোম্পানীর। পাকিস্তানী সেমাই বাজারে থাকলেও বাংলাদেশীরা দেশী সেমাই বেশি কিনছেন।
জ্যাকসন হাইটসের মান্নান গ্রোসারীর ম্যানাজার ইলিয়াস জানান, কয়েকদিন ধরে বিক্রি বেশ বেড়েছে। ঈদের সেমাই ও চিনি ছাড়াও সুগন্ধি চিনিগুড়া চাল, মাছ ও গোস্ত অন্য সময়ের চেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে।
জ্যাকসন হাইটস বাজার ও ফুড কোর্টের অন্যতম মালিক ফারুক মজুমদার বলেন, ঈদ উপলক্ষে আমাদের মার্কের্টে বেশ কয়েকটি গ্রোসারী আইটেমে সেল চলছে।
ফুডকোর্টের সেলসম্যান আশিক মাহমুদ জানান, ঈদের লাচ্ছা সেমাইতে বিশেষ সেল রয়েছে। ৩ টি লাচ্ছা সেমাই কিনলে একটি ফ্রি। রেগুলার সেমাই’য়ের দাম মাত্র ৯৯ সেন্ট। এছাড়া এখানে বগুড়ার দই পাওয়া যায় বলে তিনি জানান।
বাংলাদেশী অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটস ছাড়াও জ্যামাইকা, এস্টোরিয়া, চার্চ ম্যাকডোনাল্ড ও ওজনপার্কের গ্রোসারীগুলোতে ঈদ উপলক্ষে সেমাই, চিনি, মাছ ও গোস্তের বিক্রি বেড়েছে বলে জানাগেছে।
উল্লেখ্য, ঈদুল ফিতরে বাংলাদেশের ধনী গরিবের ঘরে ঘরে কয়েক প্রকারের সেমাই রান্না করা হয়। ঈদের জামাতের যাওয়ার আগে অনেক বাড়িতে মজলিস বসে সেমাই খাওয়া হয়। স্বজনদের বাড়ীতে বেড়াতে গেলেও মেহমানদের সেমাই দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। সামর্থবান পরিবারগুলো পোলাও রান্না করা হয়। তবে ঈদের দিনে সবার কাছে সেমাই বেশি প্রিয়। প্রবাসে এসেও বাংলাদেশী খাবারের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। তাই ঈদে চাহিদার যোগান দিতে প্রস্তুত রয়েছে নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশী মালিকানাধীন গ্রোসারীগুলো।









