এখন সময় রিপোর্ট : প্রবাসে বাংলাদেশীদের সুনাম থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে নিউ ইয়র্কে কয়েকটি আঞ্চলিক সংগঠনের কর্মকান্ড সে সুনাম নষ্ট করেছে। পবিত্র রমজানেও সংগঠনের নেতারা নিজেদের মধ্যে কোন্দলে জড়িয়ে পড়েছে। নিজেদের দ্বন্দ ইফতারে মাহফিল অনুষ্ঠানে বিস্ফোরিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে মুলধারার রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সামনেই প্রকাশ্যে বাক বিতন্ডায় লিপ্ত হয়েছে।
গত ৩০ জুলাই উডসাইডস্থ গুলশান টেরেসে উত্তর আমেরিকার অন্যতম বৃহত্তর সংগঠন জালালাবাদ এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিলে নেতাদের নাম ঘোষণা নিয়ে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। দর্শক সারি থেকে মঞ্চের নেতাদের লক্ষ্য করে গালি গালাজ করা হয়। কিছুক্ষণ অনুষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকে। এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. একে আব্দুল মোমেন, নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কন্স্যুলেটের কনসাল জেনারেল সাব্বির আহমদ চৌধুরী ও মুলধারার রাজনীতিবিদ সিটি এসেম্বলীম্যান লুইস। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি এম আজিজ, সেক্রেটারী আতাউর রহমান সেলিম, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি জন এন উদ্দিন ও সেক্রেটারী আহমেদ জিলু, সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনু, কামাল আহমদ, এম এ বাসিত, এম এ কাইয়্যূম, বিয়ানীবাজার সমিতির সভাপতি আজিমুর রহমান বুরহান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে হট্রগোল থেকে আগত অতিথিরা অকেটা কিংকর্তব্যবিমূট হয়ে যান।
একই স্থানে আয়োজিত গত ২৯ জুলাই রোববার বাংলাদেশ সোসাইটি ইফতার মাহফিলেও বিশৃংখলা দেখা দেয়। আসন সংকুলান না হওয়া ও আমন্ত্রিতরা ইফতারী না পাওয়ায় বিশৃংখলা দেখা দেয়। এছাড়াও অনেক সদস্যকে দাওয়াত না দেওয়ার অভিযোগ উঠে।
একইদিনে কাবাব কিংয়ে আয়োজিত কুমিল্লা সোসাইটির ইফতার মাহফিলেও বিশৃংখলা দেয়। অনুষ্ঠানের নাম ঘোষণা নিয়ে দর্শক সারিতে হইহুলোট শুরু হয়। এনিয়ে ১০ মিনিটের মত অনুষ্ঠান বন্ধ থাকে। পরে সিনিয়র কয়েকজন নেতার সমঝোতার মাধ্যমে আবার অনুষ্ঠান শুরু হয়।











