
ঢাকা অফিস : রাজনৈতিক দলের নেতাদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-আয়োজিত ইফতার মাহফিলকে কেন্দ্র করে বুধবার গণভবনে বসেছিল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের রাজনীতিকদের মিলন মেলা।
ক্ষমতাসীন মহাজোটের প্রধান শরিক আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, ন্যাপ, ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশ, তরিকত ফেডারেশন ছাড়াও বেশ কিছু ইসলামী রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর এ ইফতার মাহফিলে।
মহাজোটের বাইরে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) নেতারাও ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন।
রাজনীতিবিদদের সম্মানে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর এ ইফতার মাহফিলে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও এ দলের কোনো নেতা তাতে যোগ দেননি।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতারা, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারাও ইফতারে অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইফতারের আগে মঞ্চের সামনে বিশাল প্যান্ডেলের নিচে বসা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে ঘুরে ঘুরে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
ইফতারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মঞ্চে বসেছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদ, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মনজুরুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সাম্যবাদী দলের সভাপতি শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া, জাতীয় পার্টির (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, গণ আজাদী লীগের সভাপতি হাজী আবদুস সামাদ, ন্যাপের সহ-সভাপতি আমিনা আহমেদ ও ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের চেয়ারম্যান মিসবাহুর রহমান চৌধুরী।
ইফতারে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, আবুল মাল আবদুল মুহিত, আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু, বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, মাহবুব-উল-আলম হানিফ, উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, ড. গওহর রিজভী, অধ্যাপক আলাউদ্দিন আহমেদ, ড. মশিউর রহমান, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ প্রমুখ।
অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জিয়াউদ্দিন বাবলু, রুহুল আমিন হাওলাদার, জাসদের মঈনউদ্দীন খান বাদল, শরিফ নুরুল আম্বিয়া, ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা, গণতন্ত্রী পার্টির নুরুর রহমান সেলিম প্রমুখ।
ইফতারের আগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টের শহীদ, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, জাতীয় চার নেতা, ২১ আগস্টের শহীদসহ সকল গণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া করা হয়।





