
ঢাকা অফিস : নন্দিত সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ সদায় যে বুকে আশ্রয় খুঁজতেন, সেই মমতাময়ী মা শেষবারের মতো ছেলের কফিনে মাথা রেখে ডুুকরে ডুকরে কাঁদলেন এবং কাঁদালেন সবাইকে। কফিন জড়িয়ে যেন অনুভব করার চেষ্টা করলেন নিথর ছেলের অস্তিত্ব। অনেকটা সময় কফিনেই মাথা ঠেকিয়ে রাখলেন মা। শুভ্র শাড়ি পরিহিত রতœগর্ভা আয়েশা ফয়েজ সকাল ১১টার কিছুক্ষণ পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পৌঁছে নাড়িছেঁড়া ধন ছেলের নিথর কফিনকে বারবার বুকে জড়িয়ে ধরছিলেন। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসা অগণিত মানুষের ভিড় ঠেলে মমতাময়ী মা কফিনের কাছে পৌঁছলে শোকসাগরে যেন নতুন করে ঢেউ খেলে উঠল।
এ সময় হুমায়ূন আহমেদের কফিনের পাশে ছিলেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক, হুমায়ূন আহমেদের ছেলে নূহাশ, মেয়ে শীলা ও বিপাশা, ভাই ড. জাফর ইকবাল আর আহসান হাবীবসহ ঘনিষ্ঠজনরা। তাদের চোখে আরেক দফা বান ডাকল মাকে ছেলের কফিনে মাথা ঠেকিয়ে রাখার হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখে।
গত মে মাসে হুমায়ূন আহমেদ দেশে আসার পর আয়েশা ফয়েজ সাংবাদিকদের বলেছিলেন, হুমায়ূনরা নিউইয়র্কে যাওয়ার পর থেকে টেলিফোনে তাদের সঙ্গে প্রায়ই কথা হতো। ছেলের সঙ্গে সামনাসামনি কথা বলতে পেরে ভালো লাগছে। আল্লাহ্ যেন আমার জীবনের বিনিময়ে হলেও ছেলেটাকে সুস্থ করে দেন।









