এখন সময় রিপোর্ট : কংগ্রেশনাল প্রাইমারীতে বাংলাদেশীদের সমর্থিত প্রার্থী স্টেট অ্যাসেম্বিলিওম্যান গ্রেস মেং ও এ্যাসেম্বলীম্যান হাকেম এস জেফরীস উভয়েই বিজয়ী হয়েছেন। গত ২৬ জুন অনুষ্ঠিত ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারীতে কুইন্সের আসন থেকে গ্রেস মেং তার প্রতিদ্বন্দ্বী রনি ল্যান্সম্যানকে পরাজিত করে। অপরদিকে হাকেম জেফরীস ব্রুকলিন থেকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী চার্লস ব্যারনকে হারিয়ে এই বিজয় লাভ করেন। বাংলাদেশীদের প্রিয় প্রার্থী গ্রেস মেং তার প্রতিদ্বন্দ্বী রনি ল্যান্সম্যানকে ২২ পয়েন্টে এবং হাকেম জেফরীস চার্লস ব্যারনকে প্রায় ৪৪ পয়েন্টের ব্যাবধানে পরাজিত করেন।
প্র্র্রবীণ কংগ্রেসম্যান গ্যারী একারমেন ও এড টাউনস এই দুটি আসনে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার ঘোষণা দেওয়ায় এদুটি আসনে গ্রেস মেং ও হাকেম এস জেফরীস নতুন কংগ্রেসম্যান হিসাবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন।
ডেমোক্রাট স্টেট হওয়ায় আগামী নভেম্বরের নির্বাচনে এ দুজন প্রার্থী সহজেই যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে নির্বাচিত হয়ে আসবেন বলে বাংলাদেশী কমিউনিটি নেতারা মনে করেন। গ্রেস মেং নির্বাচিত হতে পারলে নিউইয়র্ক থেকে নির্বাচিত প্রথম এশিয়ান-আমেরিকান কংগ্রেসওম্যান হিসেবে ইতিহাস গড়বে।
পর্যবেক্ষকরা ইতিমধ্যেই হাকেম এস জেফরীসকে আগামী দিনে কংগ্রেসে উদীয়মান স্টার হিসাবে উল্লেখ করছেন। তার এ নির্বাচনে গভর্নও এন্ড্রু কুমো এবং সিনেটর চার্লস শুমার উভয়েই সমর্থন দিয়েছেন।
নভেম্বরের নির্বাচনে গ্রেস মেং-কে লড়তে হবে রিপাবলিকান সিটি কাউন্সিলম্যান ডেনিয়েল জে হল্যারানের সঙ্গে। তবে এ নির্বাচনী এলাকায় ডেমোক্র্যাট বেশী হওয়ায় গ্রেস মেং-এর বিজয়ী হবেন বলে তার বাংলাদেশী কমিউনিটি নেতারা আশা করছেন।
এদিকে বহুল আলোচিত কংগ্রেসম্যান চার্লস র্যাঙ্গেলও প্রাইমারীতে জয়ী হয়েছেন। ৮২ বছর বয়স্ক এই কংগ্রেসম্যান এ নিয়ে ২২ টার্মে কংগ্রেসম্যান পদে নির্বাচন করছেন। হারলেম এলাকার আফ্রিকান ভোটারদের সাথে সাথে বাংলাদেশী ভোটাররাও এবার তার পক্ষে মাঠে নামে। ১৯৭০ সাল থেকে কংগ্রেসে দায়িত্ব পালনকারী চার্লস র্যাঙ্গেল বাংলাদেশ ককাসেরও সদস্য।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন থেকে বাংলাদেশী কমিউনিটি নেতারা এসব প্রার্থীর সর্মর্থনে প্রচার ও ফান্ড রেইজিং করে আসছিল। এবারের নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশী কমিউনিটি সঙ্গে মুলধারার রাজনীতিবিদদের সখ্যতা গড়ে ওঠে।







