
এখন সময় ডেস্ক : পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালত মঙ্গলবার দেশের ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানিকে তার পদে বহাল থাকার অযোগ্য ঘোষণা করেছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এ খবর জানায়। দুই মাস আগে গত ২৬ এপ্রিল গিলানিকে আদালত অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়। দেশটির প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারীর বিরুদ্ধে একটি দুর্নীতি মামলা পুনরায় চালু করতে সুইস কর্তৃপক্ষকে বলার জন্য আদালতের আদেশ অমান্য করায় তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়। পিটিভি’র খবরে বলা হয় পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্ট নতুন একজন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের পদক্ষেপ নিতে প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারীকে নির্দেশ দিয়েছে।
পাকিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি আদালত অবমাননা বা বিচার ব্যবস্থাকে বিদ্রƒপ করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হলে তিনি আর পার্লামেন্টের সদস্য থাকতে পারেন না।এ বিষয়টি প্রথমে পাকিস্তান পার্লামেন্টের স্পিকারের ওপর বর্তায়। ক্ষমতাসীন পাকিস্তান পিপলস পার্টির সদস্য স্পিকার গত ২৪ মে ঘোষণা করেন যে, ‘অযোগ্য ঘোষণার কোনো প্রশ্ন নেই।’ গিলানি পরে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে দেয়া আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল না করার সিদ্ধান্ত নেন। আদালত যাতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে অযোগ্য ঘোষণা না করে সে জন্য তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন বলে ধারণা করা হয়েছিলো। কিন্তু মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট তা-ই করেছে।
প্রধান বিচারপতি ইফতেখার মোহাম্মদ চৌধুরী রায় পাঠ করে বলেন, ‘ইউসুফ রাজা গিলানি তাকে দোষী সাব্যস্ত করার তারিখ ২৬ এপ্রিল থেকে পার্লামেন্ট সদস্য থাকার অযোগ্য হয়েছেন। এ ছাড়া তিনি আর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীও নন।’
তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন অযোগ্য ঘোষণার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করবে এবং প্রেসিডেন্টকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।’
অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি আদালত অবমাননা বা বিচার ব্যবস্থাকে বিদ্রƒপ করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হলে তিনি আর পার্লামেন্টের সদস্য থাকতে পারেন না। এ বিষয়টি প্রথমে পাকিস্তান পার্লামেন্টের স্পিকারের ওপর বর্তায়। ক্ষমতাসীন পাকিস্তান পিপলস পার্টির সদস্য স্পিকার গত ২৪ মে ঘোষণা করেন যে, ‘অযোগ্য ঘোষণার কোনো প্রশ্ন নেই।’
গিলানি পরে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে দেয়া আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল না করার সিদ্ধান্ত নেন। আদালত যাতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে অযোগ্য ঘোষণা না করে সে জন্য তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন বলে ধারণা করা হয়েছিলো। কিন্তু মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট তা-ই করেছে।
প্রধান বিচারপতি ইফতেখার মোহাম্মদ চৌধুরী রায় পাঠ করে বলেন, ‘ইউসুফ রাজা গিলানি তাকে দোষী সাব্যস্ত করার তারিখ ২৬ এপ্রিল থেকে পার্লামেন্ট সদস্য থাকার অযোগ্য হয়েছেন। এ ছাড়া তিনি আর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীও নন।’
তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন অযোগ্য ঘোষণার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করবে এবং প্রেসিডেন্টকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।’











