গত ৪০ বছরে বাংলাদেশে কোন শিক্ষা নীতি ছিল না
এখন সময় রিপোর্ট : নিউ ইয়র্কে সফরত শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘স্বাধীনতার ৪০ বছর পরও স্পষ্ট কোন শিক্ষানীতি ছিল না। ফলে আমরা এগুতে পারিনি। ২০১০ সালে সর্বপ্রথম তৈরী হয়েছে শিক্ষা নীতি। এখন বাংলাদেশ সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে এগুচ্ছে।’ যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর মতবিনিময়ের সময় তিনি এসব কথা বলেন। ২৭ মে রোববার নিউ ইয়র্ক জ্যাকসন হাইটসে পালকি পার্টি সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘দেশকে এগিয়ে নিতে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি শিক্ষানীতির বিকল্প ছিল না। আমরা সেটি করতে সক্ষম হয়েছি। এজন্যে আমরা দলমত নির্বিশেষে সকলের পরামর্শ নেই। ‘ঘোষিত শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে’ এজন্যে কেউ টু শব্দটি পর্যন্ত করেননি বলে তিনি দাবী করেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘চলতি শিক্ষা বর্ষের জন্যে আমরা ২৩ কোটি পাঠ্য পুস্তক ছাপিয়েছি। আগামী শিক্ষাবর্ষে ছাপতে হবে ২৭ কোটি বই। অর্থাৎ স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বাড়ছে।’ ‘বাংলাদেশের এ অগ্রগতি বিশ্বের অনেক দেশেই এখন মডেল হিসেবে দেখা দিয়েছে’-যোগ করেন শিক্ষামন্ত্রী। আর এ কৃতিত্ব আমার একার নয়, তা সারাদেশের মানুষের-মন্তব্য নাহিদের।
শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ‘২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মাঝারী ধরনের উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার স্বপ্ন বাস্তবায়িত করতে হলে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। বিশ্বমানের তথ্য-প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হতে হবে এবং নতুন প্রজন্মকে নৈতিক মূল্যবোধ এবং দেশাত্মবোধে উজ্জীবিত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে।’
মত বিনিময় সভায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্ত্বে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা আকতার হোসেন, মাহবুবুর রহমান, ড. মনসুর খান, ড. মহসিন আলী, আব্দুস সামাদ আজাদ, নূরনবী কমান্ডার, আশরাফুজ্জামান খান, মহিউদ্দিন দেওয়ান, আব্দুস হাসিব মামুন, হাজী এনাম, সোলায়মান আলী, শিরিন আকতার দিবা, যুবলীগ সভাপতি মিসবাহ আহমেদ, শ্রমিক লীগ সভাপতি শামসুল আলম, ছাত্রলীগ সভাপতি জেড এ জয় প্রমুখ।
মতবিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ।
সমাবেশের শুরুতে শিক্ষামন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান যুবলীগ সভাপতি মিসবাহ আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আলম। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মুজাহিদুল ইসলাম, শিরিন আকতার দিবা, এডভোকেট মুর্শেদা জামান, শ্রমিক লীগের সভাপতি শামসুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক কাজী আজিজুল ইসলাম খোকন।









