Tuesday,
December 18 - December 24 , 2012 > Volume 13 > Issue 04



জিয়াউর রহমান ‘এক নেতা এক দেশ’ শ্লোগান মুছে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন-ওসমান ফারুক

  • PDF

এখন সময় রিপোর্ট: বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এক নেতার এক দেশ শ্লোগান মুছে দিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন। মূলত বহুদলীয় গণতন্ত্রের কারণেই শেখ হাসিনারা রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছেন। জিয়াউর রহমানের ৩১ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

গত ২৭ মে  রোববার নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের জুইস কমিউনিটি সেন্টারে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। তারেক আন্তর্জাতিক পরিষদের উদ্যোগে  অনুষ্ঠিত সভায় সংগঠনের চেয়ারম্যান আকতার হোসেন বাদলের সভাপতিত্ত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ড. ওসমান ফারুক, বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাংবাদিক শওকত মাহমুদ ও জাসাস নেত্রী কন্ঠ শিল্পী বেবি নাজনীন।

 

ওসমান ফারুক বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন প্রকৃত দেশ প্রেমিক নেতা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে আমাদেরকে জিয়ার আদর্শের রাজনীতির বিকল্প নেই। তাই জিয়ার আদর্শে উদ্দীপ্ত হয়ে দেশ গড়ার জন্য খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সরকার বিরোধী আন্দোলনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র নেতা কর্মীদের আহবান জানান তিনি।

 

শওকত মাহমুদ বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের দেশ প্রেমই তার জন্য কাল হয়ে দাড়িয়েছিল। ক্ষণ জন্মা এ নেতা রাষ্ট্রীয় ক্ষমায় আসার অল্প সময়ের মধ্যে তার রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিয়ে বিশ্বের আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। তার জানাযায় সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে তিনি কত জনপ্রীয় ছিলেন। তার মৃত্যেতে সেদিন বিশ্ববাসী হতবাক হয়েছিল। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা স্বাবভৌত্ত্বেও সঙ্গে জিয়ার পরিবার জড়িত। যখনই দেশের স্বাধীনতার উপর আঘাত আসে, তখনই জিয়া পরিবারের উপর আঘাত আসে।

তিনি আরো বলেন, বিশ্বজনমত শেখ হাসিনা সরকারের পক্ষে নেই। স্টেট ডিপার্টমেন্টের মানবাধিকার রিপোর্ট এবং লন্ডনের দ্য ইকনোমিস্ট পত্রিকার সংবাদে তার বহি:প্রকাশ ঘটেছে। এছাড়া নিকট প্রতিবেশী ভারতও এখন আর গণবিরোধী হাসিনা সরকারের সাথে নেই। এজন্যেই অতি সম্প্রতি প্রণব বাবু ঢাকায় এসে বেগম খালেদা জিয়ার সাথেও সাক্ষাত করেছেন।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র আজ বিপন্ন। এ অবস্থায় শহীদ জিয়ার সৈনিকদের সারাবিশ্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বর্তমানের ফ্যাসিস্ট সরকারকে রুখতে হবে। তাহলেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ার আত্মা শান্তি পাবে এবং তার প্রতি যথার্থ সম্মান জানানো হবে।

তারা বলেন, পঁচাত্তরের ৭ নভেম্বর সীপাহি জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে শহীদ জিয়া রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত করার যাবতীয় কর্মসূচি শুরু করেছিলেন।

বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের প্রবর্তন করা না হলে কলকাতার বাঙালি জাতীয়তাবাদে বিলীন হয়ে যেতাম আমরা।

আলোচনা শেষে শহীদ জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য কামনায় বিশেষ মুনাজাত করা হয়।

সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে আকতার হোসেন বাদল বলেন, তারেক রহমানের আত্মীয় পরিচয়দানকারী কেউ কেউ যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির অনৈক্য জিইয়ে রেখেছেন। এদেরকে চিহ্নিত করতে হবে, যাতে এরা কখনো যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র  নেতৃত্তে আসতে না পারে।

সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা আব্দুল লতিফ স¤্রাট, মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, ডা. শাহ আলম, জিল্লুর রহমান, মহাদেব সরকার, নিউ ইয়র্ক সফরত বিএনপি নেতা মোঃ পলাশ, তারেক পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম রফিকুল ইসলাম ডালিম, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রদলের সভাপতি আতাউর রহমান আতা প্রমুখ।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পরিচালনা করেন জসীমউদ্দিন ও রাফেল তালুকদার।

 

 

 

 

Share this post

Add comment


You are here: শেষ পৃষ্ঠা জিয়াউর রহমান ‘এক নেতা এক দেশ’ শ্লোগান মুছে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন-ওসমান ফারুক