হুণ্ডির মাধ্যমে অর্থ প্রেরণ দেশের অর্থনীতির জন্য হুমকিস্বরূপ

  • PDF

এখন সময় রিপোর্ট : সোনালী এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে গত জানুয়ারী থেকে এপ্রিল পর্যন্ত্ ৩৩ হাজার ৮৩১ জন রেমিটর (প্রবাসী) বাংলাদেশে অর্থ পাঠিয়েছেন। গত বছরের চেয়ে এই সংখ্যা ৪ হাজার ৭০৫ জন বেশি।

এখন সময়'র সঙ্গে একান্ত্ সাক্ষাৎকারে সোনালী এঙ্চেঞ্জের সিইও আতাউর রহমান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এর বাইরেও বর্তমানে বিপুল পরিমানের অর্থ হুণ্ডির মাধ্যমে দেশে পাচার হয়, যা একদিকে যেমন বৈধভাবে অর্থ প্রেরণ প্রতিষ্ঠানের জন্য যেমন ক্ষতিকর, অন্যদিকে দেশের অর্থনীতির জন্যও হুমকিস্বরূপ। তাই সকল দেশপ্রেমিক প্রবাসীদের হুণ্ডিকে নিরুৎসাহিত করা ও বৈধ মাধ্যমে অর্থপ্রেরণ করার জন্য আহবান জানান।

তিনি বলেন, সোনালী এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশে অর্থ পাঠানোর জন্য প্রবাসে একমাত্র সরকারী প্রতিষ্ঠান এবং এই মাধ্যমে অর্থ প্রেরণই বেশি নির্ভরযোগ্য। বাংলাদেশ ব্যাংকের রেট অনুযায়ী সর্বনিম্ন ফি'তে সোনালী এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে দেশে অর্থ পাঠানো যায়।

আতাউর রহমান বলেন, প্রবাসীদের রেমিটেন্সের সঙ্গে সরাসরি দেশের অর্থনীতি জড়িত। তাই বৈধভাবে দেশে অর্থ পাঠানো উচিত।

তিনি বলেন, প্রবাসে কষ্টার্জিত অর্থ বৈধভাবে পাঠালে দেশ ও নিজের পরিবার উপকৃত হয়। অবৈধভাবে অর্থ পাঠালে সাময়িকভাবে পরিবার উপকৃত হলেও দেশ ÿতিগ্রস্ত্ম হয়। প্রবাসীদের কষ্টার্জিত সাদা টাকা অবৈধভাবে পাঠালে দেশে গিয়ে কালো হয়ে যায়। এ টাকা দিয়ে কোন বৈধ ব্যবসা করা সম্ভব না। মানি এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে পাঠানো অর্থ আয়কর মুক্ত এবং দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিদা পাওয়া যায়।

তিনি বলেন, অবৈধ ডলার ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রবাসে একটা চক্র গড়ে উঠেছে। যারা ব্যাংক রেটের চেয়ে বেশি টাকা দিয়ে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করার অভিযোগ রয়েছে। তাই ব্যাংক রেটের চেয়ে যারা ডলারের মূল্য বেশি দিতে চায় তাদের সম্পর্কে প্রবাসীদের সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান তিনি।

উলেস্নখ্য, সোনালী এঙ্চেঞ্জে ১ শ থেকে ৩ শ ডলারের জন্য ফি ৩ ডলার। ৩০১-৭০০ জন্য ৫ ডলার। ৭০১-১০০০ জন্য ৮ ডলার। ১০০১-১৫০০ জন্য ১২ ডলার। ১৫০১-২০০০ জন্য ১৫ ডলার। ২০০১ থেকে যেকোন পরিমান অর্থের জন্য সর্বোচ্চ ১৮ ডলার।

Share this post

Add comment


You are here: মূল পাতা প্রতিদিনের খবর হুণ্ডির মাধ্যমে অর্থ প্রেরণ দেশের অর্থনীতির জন্য হুমকিস্বরূপ