
আব্দুস সাত্তার, ওয়াশিংটন ডিসি থেকে : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএপি) ৪৫ শীর্ষ নেতা গ্রেফতারের ও তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার দাবীতে গত ২১ মে সোমবার দুপুর ২:৩০ মি: যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনগুলো শরাফত হোসেন বাবু ও বেলাল মাহমুদের নেতৃত্বে হোয়াইট হাউজের সামনে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার অন্যতম উপদেষ্টা শওকত মাহমুদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক ও বাংলাদেশের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন।
শওকত মাহমুদ তার প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বিএনপি ৪৫ শীর্ষনেতাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আমরা অবিলম্বে তাদের নি:শর্ত মুক্তি দাবী করছি।’
সঙ্গীত শিল্পী বেবী নাজনীন তার বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “দেশে অনবরত হত্যা, গুম চলছে। বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের উপর অত্যাচার-নিপীড়ন-নির্যাতন চলছে। এই সরকার অনেক প্রতিশ্রুতি দেয় কিন্তু তারা কোন কথাই রাখেনি, ভবিষতেও রাখবে না। এই সরকার ওয়াদা ভঙ্গের সরকার। এই সরকার বিদেশীদের বন্ধু এবং দেশের মানুষের শত্রু। তাদের হটাতে হবে।” তিনি সমাবেশে গানও পরিবেশন করেন।
ড. ওসমান ফারুক বলেন, “বিএনপি তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ছাড়া নির্বাচন কখনো সুষ্ঠু হবে না।’
সমাবেশ শেষে সাংবাদিক আব্দুস সাত্তার এর এক প্রশ্নের জবাবে ড. ওসমান ফারুক বলেন, সরকার বিএনপি-র নেতা-কর্মীদের অন্যায়ভাবে কারাগারে আটক করেছে। আমরা হোয়াইট হাউজের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশের মাধ্যমে বিশ্ববাসী তথা আমেরিকার সরকার ও জনগণকে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের দুরাবস্থা ও জনগণের ওপর সরকারের নির্যাতনের কথা অবগত করছি- বাংলাদেশে গণতন্ত্রের নামে কী হচ্ছে?
সমাবেশে বিএনপি’র
বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে হোয়াইট হাউজ এলাকা প্রকম্পিত করে তুলে।





