নর্থ আমেরিকা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শেখ হাসিনার ৩১তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করা হয়েছে। গত ১৭মে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ড. প্রদীপ রঞ্জন কর। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম বাদশা। বক্তব্য রাখেন, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল হক, লুৎফুল কবীর, রতন বড়ূয়া, মো. আখতার হোসেন, রমেশ নাথ, কায়কোবাদ খান, শাহাদত হোসেন, আশ্রাফ মাসুক, শওকত আকবর রীচি, খুরশিদ আনোয়ার বাবলু, ইঞ্জিনিয়ার মিজানুল হাসান, আলহাজ্ব নুরে আজম বাবু, একে চৌধুরী, ডা. টমাস দুলু রায়, নিখিল রায়, মোয়াজ্জেম হোসেন মাসুদ, বিলকিস মোল্ল্যা, আবদুল করিম, গোলাম সারওয়ার (দিদার), মো. বি জামান, মো. আলতাফ মিয়া, মো. আলী আক্কাস প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জননেত্রী ৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরিবারের সকল সদস্যদের হারানোর পর ১৯৮০ সালের ১৭ মে এই দিনে দেশে ফিরে জনগণের অকৃত্রিম ভালবাসার প্রত্যুত্তরে তিনি যে সকল প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা পালন করে চলেছেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হত্যার বিচার করতে চেয়েছিলেন। সে কাজ তিনি সম্পন্ন করতে সমর্থ হয়েছেন। খুনীদের অনেকের শাস্তি কার্যকর হয়েছে। অন্যান্য দন্ডপ্রাপ্ত খুনীরা বিদেশে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তাদের গ্রেফতারের ব্যাপারেও তিনি আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বক্তারা বলেন, বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য, মানুষের আর্থ-সামাজিক তথা সার্বিক মুক্তির জন্য বিগত ত্রিশ বছর যাবৎ নিজের জীবনকে বাজী রেখে জনগণের ভাগ্যবদলে প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছেন। তিনি দেশে ফিরে এসেছিলেন বলেই আজ দেশে গণতন্ত্র সুংসহত হয়েছে, সামরিকতন্ত্রের অবসান ঘটেছে। তা না হলে আজও হয়তো দেশের মানুষকে সামরিকতন্ত্রের যাঁতা কলে নিষ্পেষিত হতে হতো। সম্প্রতি আর্ন্তজাতিক এক জরিপে তাঁকে দেশের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ জনপ্রিয় ব্যক্তি হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। জরিপে দেশের ৭৭% মানুষের তার প্রতি আস্থা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘজীবন কামনা করেন বক্তারা।
বক্তারা আরো বলেন, আশা করি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশে রূপান্তরিত হয়ে বিশ্বের মানচিত্রে মাথা উচুঁ করে দাঁড়াবে। তাঁর নেতৃত্বেই ২০২১ সালে অর্থনেতিক সমৃদ্ধ, অসাম্প্রদায়িক আধুুনিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ৫০তম জন্ম জয়ন্তি পালিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন বক্তারা।
এছাড়াও বক্তারা বিএনপি ও জামায়াতের বিষয়ে বলেন, বিএনপি জামাতের ১৮ দলীয় জোট হরতালের নামে দেশে মানুষ হত্যা, গাড়ী পোড়ানো, ভাংচূর, অগ্নিসংযোগ ও নৈরাজ্য সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বান্্চালের ষড়যন্ত্র করছে এবং মানুষকে তাদের এ সকল অরাজকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে রুঁখে দাঁড়ানোরও আহ্বান জানান তারা।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত
আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ যুক্তরাষ্ট্র শাখার উদ্যোগে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করা হয়েছে। গত ১৭মে বৃহস্পতিবার জ্যাকসন হাইট্্সের পালকি পার্টি সেন্টারে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মো. মহিউদ্দিন দেওয়ান। যৌথভাবে সভা পরিচালনা করেন, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সচিব নুরুজ্জামান সরদার ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিটি কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ। প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা নুরুন্নবী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সামছুদ্দিন আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসিব মামুন, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ও যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রধান উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা মুজাহিদুল ইসলাম, উপদেষ্টা ডা. মাসুদ। বক্তব্য রাখেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, মেজবা আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সভাপতি, প্রবাসী কল্যান সম্পাদক সোলেমান আলী, ইমিগ্রেশন সম্পাদক এডভোকেট আব্দুর রহমান মামুন, উপ পচার সম্পাদক তৈয়বুর রহমান টনি, আমিনুল ইসলাম কলিনস, জসিম উদ্দিন খান মিঠু, রফিকুল ইসলাম খাজা ও টিটু রহমান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আনোয়ার হোসাইন, এম এ আমগীর , মো. আবুল হাসনাত হাসান, দেলোয়ার হোসেন দেলু, সাইফুল্যা ভূঁইয়া, আল আমিন হোসেন, সোহেল আহমেদ, কামরুল হাসান মৃদুল, শাহীন ইবনে দিলওয়ার, ফকর উদ্দিন প্রমূখ।



