
এখন সময় রিপোর্ট : গত ৩০ এপ্রিল সোমবার রাত ৮টায় নিউইয়র্কের বাংলাদেশী অধ্যুষ্যিত জ্যাকসন হাইটস্থ ৭৩ স্ট্রীটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের গ্রেফতার ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ শতাধিক নেতার বিরুদ্ধে গণহারে হুলিয়া প্রদান ও বাড়ী বাড়ী তল্যাসীর প্রতিবাদে নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি এবং ৩৪ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে তাৎক্ষনিক এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সভাপতি মাওলানা ওয়ালিউ ল্লাহ মোঃ আতিকুর রহমান ও পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান সাইদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির’ চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শওকত মাহমুদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ৩৪ অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক বেলাল মাহমুদ, ফেনী জেলা বিএনপি’র উপদেষ্টা জসীম উদ্দিন ভূইয়া, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি নুর মোহাম্মদ, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক শাহীন ও জহিরুল ইসলাম মোল্লা, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি এম এ খালেক আকন্দ, যুব দলের সভাপতি জাকির এইচ চৌধুরী, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল মাওলা।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি’র সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, নাসির উদ্দিন শরিফ ও আক্তার হোসেন মঞ্জু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদরুল হক আজাদ, জাহাংগীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র নেতা জীবন শফিক, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক মহিলা সম্পাদিকা মাহমুদা শিরিন, মহিলা নেত্রী নীরা রাব্বানী ও শাহানারা কবীর, তারেক রহমান আর্ন্তজাতিক পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব গোলাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন নাসির, যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা দলের যুগ্ম আহবায়ক ওয়াহেদ আলী মন্ডল, সাইফুল ইসলাম লিটন, নাসিম আহমেদ, দেওয়ান কাউসার, এম. আহমেদ, ইকবাল হোসেন, মোঃ আলী, ইসরাত আজম খান, আল মোমেন, আবুল কালাম, মোঃ আল আমিন, এম শাহিন, আব্দুল কাইয়ুম, হোসেইন মেম্বার ও মো শফিউল্লাহ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শওকত মাহমুদ বলেন, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক এমপি এম. ইলিয়াস আলীর গুম হওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি’র ডাকে দেশব্যাপী শান্তিপূর্ণ হরতাল চলাকালে ফ্যাসিষ্ট সরকারের পুলিশ বাহিনী কর্তৃক বিএনপি নেতা কর্মীদের গুলি করে হত্যা ও নিযৃাতন বিশ্ববাসীকে হতবাক করেছে। তিনি বলেন, কোন স্বৈরাচার জনগনের উপর জুলুম নির্যাতন করে বেশী দিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি। জনতার বিস্ফোরণে স্বৈরাচারের পতন অনিবার্য। খুন, গুম ও নির্যাতনে বাংলাদেশ একটি আতঙ্কের জনপদ। দেশ ও প্রবাসের সকল বাংলাদেশী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শেষ নির্দেশের অপেক্ষায়। খালেদা জিয়া সরকার পতনের ডাক দিলে শেখ হাসিনার পতন অনিবার্য।
বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগী, ড. মোশারফ হোসেন, এম. কে আনোয়ার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সাদেক হোসেন খোকা ও এম. এ সালাম সহ শতাধিক কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হুলিয়া তুলে না নিলে বাংলাদেশ সহ বিশ্বব্যাপী স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে দূর্বার গণ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। বিক্ষোভ সমাবেশে রুহুল কবীর রিজভী ও কামরুজ্জামান রতন সহ গ্রেফতারকৃত সকল নেতা কর্মীর মুক্তি চাওয়া হয় এবং ইলিয়াস আলীকে স্ব-শরীরে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য জোর দাবী জানানো হয়।
অপরদিকে ওয়াশিংটনে গ্রেটার ওয়াশিংটন বিএনপির উদ্যোগে শরাফত হোসেন বাবুর সভাপতিত্বে ও মোঃ লিয়াকত আলী খানের পরিচালনায় তাৎক্ষনিক এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গির, হুমায়ুন কবীর, আব্দুল মান্নান, আবুল ফজল মানু, মোঃ মুছা, মোঃ ইসলাম, তাজউদ্দিন বশির আহমেদ, আলমগীর দেলোয়ার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ বিরোধী দলীয় নেতা কর্মীদের হুলিয়া ও মিথ্যা মামলা তুলে নিয়ে ফ্যাসিষ্ট সরকারের পদত্যাগ দাবী করেন এবং নির্দলীয় তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গনতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার জোর দাবী জানান।











