ঢাকা অফিস • প্রকাশিত: ২১ নভেম্বার ২০২৫, ০৫:৩৯ এ এম • অনলাইন সংস্করণ

সংবিধানে ফিরছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার; আপিল বিভাগে ইতিহাসঘন রায়

সংবিধানে ফিরছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার; আপিল বিভাগে ইতিহাসঘন রায়

ঢাকা, ২০ নভেম্বর — আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ আজ একটি ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেছে। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমদের নেতৃত্বে বেঞ্চ সিদ্ধান্ত দিয়েছে, সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বৈধ এবং নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করা হবে। এই রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার আগামী সংসদ নির্বাচনে কার্যকর হবে বলে আদালত ব্যাখ্যা দিয়েছে।

আদেশে বলা হয়, যদিও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আগেই ফিরছে, তবে তার প্রযোজ্যতা সর্বোচ্চ পরবর্তী নির্বাচনেই — অর্থাৎ চতুর্দশ সংসদ নির্বাচনে। এবারের (ত্রয়োদশ) জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার আওতায় নির্বাচন করা যাবে না।

রায় ঘোষণার সময় আইনজীবী ও সাংবাদিকদের বিশাল ভিড় দেখা যায়। আদালতকে ঘিরে ছিল বীদের উচ্চ মাত্রার উত্তেজনা। আপিল বিভাগ উল্লেখ করেছে, তারা ২০১১ সালের সেই রায় পুনর্বিবেচনায় এনে দেখেছে যে সেই রায়ে “উভ্য־নির্দেশিত ভুল” ছিল যা রায় পুনর্বহালের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এই মামলা বক্তব্য আরও গুরুত্বপূর্ণ কারণ এর ভিত্তিতে আপিলকারীর আইনজীবীরা এবং বিভিন্ন নাগরিকরা দাবি করেছিলেন যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনরায় ভুলে গাওয়া হয়নি, বরং এটি গণতন্ত্র ও সচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য।

আদালতে যুক্ত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের সেক্রেটারি-জেনারেল গোলাম পরওয়ার, এবং পাঁচ নাগরিক, যাদের মধ্যে ছিলেন ড. বদিউল আলম মজুমদার।

সোমায় উঠেছে নতুন রাজনৈতিক দৃষ্টান্ত: এই রায় ইতিউমধ্যেই সমালোচনা ও স্বাগত দুই দিকেই চলছে। অনেক আইনজ্ঞ বলছেন, এটি ভবিষ্যতের নির্বাচনে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নির্বাচনি স্বচ্ছতা বৃদ্ধির পথ খুলে দিতে পারে।