মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ নতুন গ্রাজুয়েটদের স্বাগত জানান এবং তাদেরকে এ পর্যন্ত এগিয়ে নেয়ার জন্য তাদের প্রতি সম্মানিত পিতা-মাতা, শিক্ষক, সমাজ, দেশ ও দেশের মানুষের বিশাল অবদানের কথা স্মরণ করার পরামর্শ দেন।
শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ মেধা, সম্ভাবনা ও জ্ঞান জাতির প্রত্যাশা পূরণে কাজে লাগাবে বলেও রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন।
মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদমুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেম, নৈতিক মূল্যবোধ ও সৃজনশীলতা দিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখতে গ্রাজুয়েটদের প্রতি পরামর্শ দেন।
মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অন্যায় এবং অসত্যের কাছে মাথা নত না করতে এবং দেশ ও দেশের জনগনের প্রতি দায়িত্বও কতর্ব্য সম্পর্কে ভুলে না যেতে শিক্ষার্থীদের প্রতি পরামর্শ দেন।
মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এবং ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে শিক্ষকসহ সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বিশ্ববিদ্যালয়কে মুক্ত চিন্তার বিকাশের স্থান হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘পাঠ্যসুচি ভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি মুক্তচিন্তা,জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক ইস্যুতে আলোচনা, জাতিগঠন মূলক ভাবনা, সাংস্কৃতিক চর্চা শিক্ষার্থীদের কেবল দক্ষ করে না, তাদের বুদ্ধিভিত্তিক চেতনাকে শাণিত করে।’ তিনি বলেন, ‘জাতির অমিত শক্তি যুব সমাজ। যুব সমাজের শক্তি ও সম্ভাবনাকে দেশ গঠনের কাজে লাগাতে তাদেরকে অবশ্যই অপসংস্কৃতির প্রভাবমুক্ত হয়ে স্বাধীন চিন্তার অধিকারি হতে হবে।’