প্রায় আট সপ্তাহের স্থবিরতার পর মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ আবারও অধিবেশনে ফিরছে। স্পিকার মাইক জনসন আইনপ্রণেতাদের ওয়াশিংটনে ফিরিয়ে এনেছেন, যেখানে প্রশাসন সচল রাখা ও আটকে থাকা নানা বিল নিয়ে শুরু হবে তীব্র রাজনৈতিক চাপের নতুন অধ্যায়।
বুধবার থেকে শত শত প্রতিনিধি রাজধানীতে ফিরছেন, সঙ্গে আনছেন স্থগিত থাকা প্রস্তাব, ক্ষোভ ও উদ্যোগের স্রোত। প্রথমেই ভোট হবে প্রশাসন সচল রাখার প্রস্তাবে। এর পাশাপাশি জেফ্রি এপস্টিন ফাইল প্রকাশ ও অ্যারিজোনার নবনির্বাচিত প্রতিনিধি অ্যাডেলিতা গ্রিহালভার শপথগ্রহণসহ একাধিক ইস্যু এখন জনসনের নেতৃত্বের বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দুই মাসের নীরবতার পর অধিবেশন শুরু হওয়া মানে এমন এক স্পিকারের প্রত্যাবর্তন, যিনি প্রচলিত রীতি ভেঙে নিজের কৌশলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। তবে সমালোচকেরা বলছেন, এতে প্রতিনিধি পরিষদ কার্যত নির্বাহী শাখার কাছে প্রভাব হারাচ্ছে।
জনসনের দাবি, রিপাবলিকান নেতৃত্বাধীন পরিষদ ইতিমধ্যেই অর্থায়ন সংক্রান্ত বিল পাস করেছে, এখন দায়িত্ব সিনেটের। কিন্তু আলোচনায় না বসে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ অবস্থানে থেকে তিনি রাজনীতিতে নিজের অবস্থান মজবুত করেছেন।
এখন জনসনের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো প্রশাসন সচল রাখার নতুন বিল পাস করানো। বিলটি ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বেশিরভাগ সরকারি সংস্থার কার্যক্রম চালাবে। ডেমোক্র্যাটরা বিলের বিরোধিতা করলেও জনসনকে এবার রিপাবলিকানদের মধ্যেই ঐক্য ধরে রাখতে হবে।
সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP)