গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের সাম্প্রতিক বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৩ জনে দাঁড়িয়েছে, যাদের মধ্যে অন্তত ২৪ জন শিশু। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দক্ষিণ রাফাহ অঞ্চলে গুলি বিনিময়ের ঘটনার পর ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নির্দেশে সেনাবাহিনী এ ব্যাপক হামলা চালায়। খবর আল জাজিরার।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রাফাহ এলাকায় সংঘর্ষে এক ইসরাইলি সেনা আহত হওয়ার পরই ইসরাইল প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করে। গত ১০ অক্টোবর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এটি ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, “একজন সেনা আহত হওয়ার পর ইসরাইল পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে এটি যুদ্ধবিরতি বিঘ্নিত করবে না।” তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, “হামাসকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।”
অন্যদিকে, ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস দাবি করেছে যে রাফাহ অঞ্চলের ওই হামলার সঙ্গে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। সংগঠনটি এক বিবৃতিতে সতর্ক করে জানিয়েছে, “ইসরাইলি আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে লাশ অনুসন্ধান, উদ্ধার ও খনন কার্যক্রম ব্যাহত হবে, ফলে বাকি ১৩ বন্দির মরদেহ উদ্ধারে বিলম্ব ঘটতে পারে।”
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, উভয় পক্ষের হামলার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও যুদ্ধবিরতি এখনো কার্যকর রয়েছে।
ওয়াশিংটন ডিসিতে কংগ্রেস হিলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “ছোটখাটো সংঘর্ষ ঘটতেই পারে। আমরা জানি, হামাস বা গাজার কোনো পক্ষ ইসরাইলি সেনাকে আক্রমণ করেছে, আর ইসরাইল তার জবাব দিচ্ছে—এটা স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত শান্তি টিকে থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।”
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা