ঢাকা অফিস • প্রকাশিত: ০৭ নভেম্বার ২০২৫, ০৪:০৬ পিএম • অনলাইন সংস্করণ

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

আজ ৭ নভেম্বর, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার অঙ্গীকারে সিপাহি ও জনতা একত্রে রাজপথে নেমে আসে। তারা ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে এবং তার হাতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেন।

বিএনপি এই দিনটিকে জাতীয় জীবনের এক ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন হিসেবে পালন করে থাকে। দলটির ভাষ্য অনুযায়ী, ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবে একনায়কতন্ত্র, একদলীয় শাসন ও রাজনৈতিক অস্থিরতার অবসান ঘটে এবং দেশ পুনরায় সুশৃঙ্খল পরিবেশে ফিরে আসে।

এ উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক বাণীতে বলেন, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী শক্তি দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ সুগম হয়েছে। এখন প্রয়োজন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের পূর্ণ বিকাশ ঘটানো এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।

ঐতিহাসিক দিনটি উপলক্ষে বিএনপি ১০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আজ সকাল ৬টায় নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল ১০টায় সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৩টায় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সমাবেশ ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও অনুরূপ কর্মসূচি পালিত হবে।

বিএনপির পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও সংগঠনও দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।