ঢাকা অফিস • প্রকাশিত: ০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:০২ এ এম • অনলাইন সংস্করণ

এনইআইআর চালু থাকবেই: শুল্ক কমানোর পরও ব্যবসায়ীদের তাণ্ডবে অনড় সরকার

এনইআইআর চালু থাকবেই: শুল্ক কমানোর পরও ব্যবসায়ীদের তাণ্ডবে অনড় সরকার

অবৈধ হ্যান্ডসেট শনাক্তকরণ বা ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার ব্যবস্থা কোনোভাবেই বন্ধ করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে সরকার। রোববার বিটিআরসি ভবন পরিদর্শন শেষে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের দাবি মেনে মোবাইল আমদানিতে শুল্ক যৌক্তিক পর্যায়ে নামানো এবং কর ফাঁকি দেওয়া ফোন বৈধ করার সুযোগ দেওয়ার পরও সড়ক অবরোধ করে বিশৃঙ্খলা করা হচ্ছে। এটিকে তিনি অপরাধের লাইসেন্স চাওয়ার শামিল বলে মন্তব্য করেন এবং বিটিআরসি ভবনে হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনার ঘোষণা দেন।

এদিকে এনইআইআর চালুর প্রতিবাদ ও বিটিআরসি ভবনে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তারদের মুক্তির দাবিতে এদিন রণক্ষেত্রে পরিণত হয় রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকা। সকাল থেকে মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের ব্যানারে ব্যবসায়ীরা সার্ক ফোয়ারা মোড় অবরোধ করলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কয়েক দফায় লাঠিপেটা ও জলকামান ব্যবহার করে তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। দুপুরের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাতটি সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব ও সেনা সদস্যরা মাঠে নামেন।

ব্যবসায়ী সংগঠন এমবিসিবি এনইআইআর ব্যবস্থা বাতিল না হওয়া পর্যন্ত পরিবারসহ অবস্থান কর্মসূচি এবং সারা দেশে সব মোবাইল দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী জানান, ভাঙচুরের ফলে রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও রাজস্ব সুরক্ষায় গত ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়া থেকে পিছু হটার কোনো সুযোগ নেই।